SIR

মুক্তিযুদ্ধে কাঁপন ধরিয়েছিলেন পাকিস্তানের বুকে, SIR-এ সেই প্রাক্তন নৌসেনা প্রধানকে তলব করে কারণ ব্যাখ্যা কমিশনের

এসআইআর শুনানিতে ডাক পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নৌসেনার প্রাক্তন অ্যাডমিরাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৯:২৪

options
link
মুক্তিযুদ্ধে কাঁপন ধরিয়েছিলেন পাকিস্তানের বুকে, SIR-এ সেই প্রাক্তন নৌসেনা প্রধানকে তলব করে কারণ ব্যাখ্যা কমিশনের

১৯৭১-এর মুক্তি যুদ্ধে কাঁপন ধরিয়ে ছিলেন পাকিস্তানের বুকে। এসআইআর (SIR) শুনানিতে তলব করা হয়েছে নৌসেনার প্রাক্তন প্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রাক্তন অ্যাডমিরাল। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকেও কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য এসআইআর-এর নোটিস? এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে সোমবার মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন। কী কারণে তাঁকে ডাকা হয়েছে, তার ব্যখ্যা দিয়েছে কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সম্পর্কিত তথ্য তিনি পূরণ করেননি।

Advertisement

এলাকার ইআরও মেডোরা এরমোমিল্লা ডি’কোস্টা বলেন, “এনুমারেশন ফর্মটি খতিয়ে দেখা হয়েছে। সেখানে পূর্ববর্তী এসআইআর সম্পর্কিত তথ্য যেমন ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম এবং নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর ইত্যাদির উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপ এনুমারেশন ফর্ম এবং বিদ্যমান ভোটার তালিকার সঙ্গে সংযোগস্থাপন করতে পারেনি। কারণ, তার জন্য দরকার শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য। সেগুলিই ছিল না।”

Advertisement

১৯৭১ যুদ্ধের সময়ে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে বিমান চালিয়েছেন প্রাক্তন অ্যাডমিরাল। সেই শৌর্যের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন বীর চক্র। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে নৌসেনায় কাজ করেছেন প্রাক্তন অ্যাডমিরাল। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। এছাড়াও নৌসেনা প্রধান হিসাবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ।

Advertisement

এসআইআর শুনানিতে ডাক পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন প্রাক্তন অ্যাডমিরাল। কমিশনকে নিশানা করে তাঁর বার্তা, ‘আমি নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই, প্রথমত এসআইআর ফর্ম থেকে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে ফর্ম সংশোধন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিএলও তিনবার আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন তিনি তখনই বাড়তি তথ্যগুলো জিজ্ঞাসা করতে পারতেন। তৃতীয়ত, আমাদের স্বামী-স্ত্রীর বয়স যথাক্রমে ৮২ বছর এবং ৭৮ বছর। বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে আমাদের, তাও আলাদা দুই দিনে।’

গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই বিতর্ক তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছে কমিশন। ডি’কোস্টা আরও বলেন, “শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য থাকলেই বিএলও অ্যাপ কেবলমাত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে। যেখানে এনুমারেশন ফর্মের ম্যাপিং হচ্ছে না, তখন শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.