EVM

পেজারের মতো ইজরায়েলি ধাঁচে হ্যাক ইভিএমও! কংগ্রেসের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলল কমিশন

বারবার ভোট সমীক্ষা ভুল প্রমাণিত হওয়া নিয়েও মুখ খুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৪, ১৯:৪৬

options
link
পেজারের মতো ইজরায়েলি ধাঁচে হ্যাক ইভিএমও! কংগ্রেসের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলল কমিশন
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের ফলের পর নতুন করে ইভিএম বিকৃতি নিয়ে সরব কংগ্রেস। এবার হাত শিবিরের অভিযোগ, ইজরায়েলি ধাঁচে ব্যাটারির মাধ্যমে ইভিএম হ্যাক করা যেতে পারে। সেটাই হরিয়ানার বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে করা হয়েছে। হাত শিবিরের সেই অভিযোগ প্রত্যাশিতভাবেই পুরোপুরি খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সাফ কথা, “ইভিএমে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, সেটা ক্যালকুলেটরের মতো, মোবাইলের মতো নয়। কোনওভাবেই হ্যাক করা যায় না।”

Advertisement

কংগ্রেসের যুক্তি, যদি ইজরায়েল ওয়াকি-টকি ও পেজার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মানুষ মারতে পারে তাহলে ইভিএম আর এমন কী! এমনিতে ইজরায়েলের সঙ্গে অত্যন্ত সুসম্পর্ক নরেন্দ্র মোদির। আর সবাই জানে ইজরায়েল এই সব বিষয়ে গোটা বিশ্বের চেয়ে এগিয়ে। হাত শিবিরের ইঙ্গিত, ইভিএমের ব্যাটারির মাধ্যমে দূর থেকে হ্যাক করা সম্ভব। সেই অভিযোগ পুরোপুরি নস্যাৎ করে দিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার আরও একবার জানালেন, “ইভিএম পুরোপুরি নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য। ইভিএমের ব্যাটারি ক্যালকুলেটরের মতো সিঙ্গল ইউজ ব্যাটারি। মোবাইলের মতো ব্যাটারি নয়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কমিশনের সাফাই, ইভিএম সবসময় ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় রাখা হয়। প্রথম দফার চেকিংটা হয় ৫-৬ মাস আগে। ভোটের ৫-৬ দিন আগে আবার পরীক্ষা করা হয়। সেদিনই নতুন ব্যাটারি লাগানো হবে। ওই ব্যাটারি ৫-৬ দিন ব্যবহার করা যায়। তবে একটা ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় একবারই। ভোটের পর ইভিএম সিল করা হয়। সেই সিল দেখে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও তাতে সই করেন। আর পুরো ব্যাপারটাই ভিডিওগ্রাফি করা হয়।

Advertisement

সম্প্রতি একাধিক নির্বাচনে দেখা গিয়েছে ভোট সংক্রান্ত কোনও সমীক্ষার ফলাফল ভোটের ফলাফলের সঙ্গে মিলছে না। এদিন সেটা নিয়েও মুখ খুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। তিনি বলছেন, “এবার ভোট সমীক্ষক সংস্থাগুলির উচিত আত্মসমীক্ষা করা। কী পরিমাণ নমুনা তাঁরা সংগ্রহ করছেন। কাদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে, কেন জনমতের সঠিক ইঙ্গিত সমীক্ষায় উঠে আসছে না, সেটা আত্মসমীক্ষা করে দেখা উচিত।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.