‘সব চোর হ্যায়, ইনকি ছুট্টি করো।’ অযোধ্যার রাম মন্দির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ট্রাস্টের পদাধিকারীদের সরাসরি তোপ দাগলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা রাম মন্দির আন্দোলনের অন্যতম মুখ বিনয় কাটিহার। তাঁর দাবি, যেভাবে রাম মন্দির চলছে, সেটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। একা কাটিহার নন, রামমন্দির আন্দোলনের আর এক সেনানি ব্রিজভূষণ শরণ সিংও বিনয় কাটিহারের মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন।
আরও পড়ুন:
কেন এত অসন্তোষ? আসলে রামমন্দির থেকে সম্প্রতি বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। বলা হচ্ছে, রামমন্দিরে ভক্তদের দানের কোটি কোটি টাকা চুরি গিয়েছে! সম্প্রতি অখিলেশ যাদব দাবি করেন, ‘বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা রামভক্তদের জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখের খবর। রামমন্দিরে ভক্তদের দান করা কোটি কোটি টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা মন্দির ট্রাস্টের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও অস্বস্তিকর। কেউই সামনে এসে এই ইস্যুতে মুখ খুলতে চাইছেন না।’ পাশাপাশি এই বিষয়ে আদালতের তত্ত্বাবধানে হস্তক্ষেপ দাবি করেন অখিলেশ।
রামমন্দিরে চুরি হতে পারে এটাই যথেষ্ট অস্বস্তির খবর বিজেপির জন্য। সেই অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছেন বিনয় কাটিহাররা। অযোধ্যার প্রাক্তন সাংসদ বলছেন, “যারা ট্রাস্ট চালাচ্ছেন তাঁরা সব চোর। ওদের সবাইকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হোক। এঁরা কেউ আমাদের সম্মান করে না। ন্যূনতম যোগাযোগও রাখেন না।”
প্রাথমিকভাবে টাকাচুরির অভিযোগ নাকচ করে দেয় ট্রাস্ট। পরে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশে পেয়েছে ট্রাস্টও। এবং ট্রাস্টের তরফেই যোগীর কাছে সিট গঠনের দাবিতে চিঠি দেওয়া হয়। ট্রাস্টের চিঠির পরই ৩ সদস্যের উচ্চস্তরীয় বিশেষ তদন্তকারী দল গড়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। ওই সিটে রয়েছেন আইএএস বিজয় বিশ্বাস পন্থ, পুলিশের প্রাক্তন আইজি কিরণ এস এবং উত্তরপ্রদেশের অর্থদপ্তরের বিশেষ সচিব নীল রতন। এসবের মধ্যে মন্দিরের দু’জন কর্মচারীকে অযোধ্যা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সিটের সদস্যরা। দুই কর্মচারীর কাছ থেকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা নগদ এবং সোনা দানা পাওয়া গিয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর।
রামমন্দিরে চুরি হতে পারে এটাই যথেষ্ট অস্বস্তির খবর বিজেপির জন্য। সেই অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছেন বিনয় কাটিহাররা। অযোধ্যার প্রাক্তন সাংসদ বলছেন, “যারা ট্রাস্ট চালাচ্ছেন তারা সব চোর। ওদের সবাইকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হোক। এঁরা কেউ আমাদের সম্মান করে না। ন্যূনতম যোগাযোগও রাখেন না।” গোন্ডার প্রাক্তন সাংসদ তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা ব্রিজভূষণ শরণ সিংও কাটিহারকে সমর্থন করছেন। তিনি বলছেন, “বিনয় কাটিহার রামমন্দির আন্দোলনের প্রথম সারির মুখ। তিনি যখন অভিযোগ করেছেন, মানে ধরে নিতে হবে একদম ঠিক বলছেন।” ব্রিজভূষণ আরও বলেন, “আমি যদি সত্যটা বলি তাহলে ভয়ঙ্কর রকমের সমস্যায় পড়ে যেতে পারি। কারণ অভিযুক্তরা অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি। আমাদের এখনই প্রকাশ্যে মুখ খোলার সাহস নেই।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
১৯৯০ থেকে বেপাত্তা সেনা জওয়ান স্বামী, ৩৬ বছর পর অপহরণের অভিযোগ দায়ের স্ত্রীর!
-
ফের ইন্ডিগোর বিমানে বিপত্তি, এবার বেঙ্গালুরুতে অবতরণের সময় লেজে আঘাত! কেমন আছেন যাত্রীরা?
-
আপাতত স্থগিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, বৈঠকে রফাসূত্র মিলতেই ঘোষণা কর্মী সংগঠনের, স্বস্তিতে আমজনতা
-
আরটিআইয়ের বাইরে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, নির্দেশিকা জারি করেও বাতিল, বিরোধিতার মুখে পিছু হটলেন বিজয়
-
দর্শকদের না-পসন্দ! এবার ‘বিস বস বাংলা’ থেকে ছিটকে গেলেন তাপসকন্যা সোহিনী