facebook

সৌজন্যে ফেসবুক, আট বছর পরে ঘরে ফিরল হায়দরাবাদের কিশোর

পাঞ্জাবের অমৃতসর থেকে কিশোরটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২০, ০৮:৩৬

options
link
সৌজন্যে ফেসবুক, আট বছর পরে ঘরে ফিরল হায়দরাবাদের কিশোর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১১ সালের প্রথম দিকে একদিন সকালে বাড়ি থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে গিয়েছিল আট বছরের দীনেশ। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে শেষ পর্য্ন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হন তার মা সুসানা। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে দীনেশের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশিও শুরু করে পুলিশ। কিন্তু, কোথাও মেলেনি তার খোঁজ। এরপর কেটে যায় আট বছর। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশা একপ্রকার ছেড়ে দিয়েছিলেন সুসানা। কিন্তু, ফের একবার সংকটমোচনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হল সোশ্যাল মিডিয়া। সুসানার কান্নাভেজা চোখ মুছিয়ে দীর্ঘ আটবছর বাদে দীনেশকে ঘেরা ফেরাল ফেসবুক। ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদ শহরে।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে হায়দরাবাদের রচকোন্ডা পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার মহেশ ভাগবত জানান, ২০১১ সালের প্রথমদিকে সুসানা নামে এক মহিলা তার আট বছরের ছেলে দীনেশের নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি করেন। তখন পুলিশ তদন্তে নামলেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন- ভোট মিটলেই প্রচুর কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত বিএসএনএলের!]

Advertisement

কিন্তু, সম্প্রতি ফেসুবকে দীনেশ জেনা লিমা নামে একটি ছেলের প্রোফাইল দেখে চমকে উঠেন সুসানা। আট বছর পেরিয়ে গেলেও নিজের ছেলের মুখ ছবিতে দেখে চিনতে একটুও অসুবিধা হয়নি তাঁর। এরপরই সোজা পৌঁছে যান পুলিশের কাছে। মহেশ ভাগবতের কথায়, রচকোন্ডা সাইবার ক্রাইম পুলিশ স্টেশনে এসে দীনেশ জেনা লিমা নামে ওই ছেলেটির ফেসবুক প্রোফাইল দেখিয়ে নতুন একটি অভিযোগ দায়ের করেন সুসানা। এরপরই দ্রুত তদন্ত শুরু করেন সেখানে থাকা তদন্তকারীরা। ওই ফেসবুক প্রোফাইলটির আইপি অ্যাড্রেস ধরে খোঁজ লাগাতেই জানা যায় ছেলেটি বর্তমানে পাঞ্জাবের অমৃতসর জেলার রানাকালা গ্রামে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তদন্তকারীদের একটি দল পাঞ্জাব গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হায়দরাবাদ নিয়ে এসে অভিভাবকদের হাতে দেয়।

[আরও পড়ুন- বিয়ের উপহার হিসেবে পাওয়া সব অর্থ সেনা খাতে দেবেন CRPF জওয়ান]

ছেলেকে ফিরে পেয়ে বর্তমানে খুশির আমেজ সুসানার পরিবারে। দীর্ঘ আটবছর পর মায়ের কোলে ছেলের ফিরে আসার আনন্দে মেতে উঠেছেন তাঁর আত্মীয়-স্বজনরাও। আর এর জন্য পুলিশের পাশাপাশি ফেসবুক-কেই ধন্যবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.