Ram Mandir

রাম মন্দিরের ৩,৫০০ কোটি প্রণামীর বেশিটাই গায়েব! সিটের রিপোর্টের ভিত্তিতে ৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

পরিস্থিতি বিবেচনা করে অযোধ্যার রামমন্দির ট্রাস্ট ভেঙে নতুন পরিচালন পর্ষদ গড়ার সুপারিশও করেছে সিট৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ২০:৫১

options
link
রাম মন্দিরের ৩,৫০০ কোটি প্রণামীর বেশিটাই গায়েব! সিটের রিপোর্টের ভিত্তিতে ৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর
রাম মন্দির। ফাইল ছবি।

অযোধ্যার রামমন্দিরের অনুদান দুর্নীতি নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিল বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)৷ এই রিপোর্টের ভিত্তিতে ৮ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ দায়ের করেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্রের সদস্য শ্রী কৃষ্ণমোহন। যার ভিত্তিতে পুলিশ রাম জন্মভূমি কোতোয়ালি থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করেছে।

Advertisement

রাম মন্দিরের অনুদান চুরি ও আত্মসাতের অভিযোগে টিনু যাদব, অনুকল্প মিশ্র-সহ আটজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও পুলিশ মামলা দায়ের করেছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা— ৩০৬, ৩১৬(৫), ৩১৭(৪), ৩১৭(৫), ৬১ এবং ৩(৫)-এতে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদ-রামমন্দির মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পরে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের লক্ষ্যে ২০২০ সালে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’ তৈরি হয়েছিল৷ সিটের রিপোর্টে উঠে এসেছে, সেই সময় থেকে শুরু করে এ যাবৎ রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷ নগদ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও৷ পরিস্থিতি বিবেচনা করে অযোধ্যার রামমন্দির ট্রাস্ট ভেঙে নতুন পরিচালন পর্ষদ গড়ার সুপারিশ করেছে সিট৷

Advertisement

সিটের ওই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই বিজেপির উপর খড়্গহস্ত হয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ভিএইচপির জাতীয় সভাপতি অলোক কুমার বলেন, “বেনিয়মের যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। অবিলম্বে রামমন্দিরের চুরিতে এফআইআর দায়ের করতে হবে। ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের মাধ্যমে রোজ শুনানি করে এই মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। দোষীদের কড়া সাজার ব্যবস্থা করতে হবে।”

কিন্তু প্রশ্ন অন্য জায়গায়। গোটা সিস্টেমে যে অব্যবস্থার কথা বলা হচ্ছে, সেই সিস্টেমে ঢুকে রয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের লোকেরাই। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাই নিজেও কাঠগড়ায়। তারপরও কেন ভিএইচপি এই ইস্যুতে সরব? অনেকে মনে করছেন, নিজেদের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠছে, তাই তাঁরাও যে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চাইছে সেটা বোঝাতেই এভাবে প্রকাশ্যে সরব ভিএইচপি। তাতে আবার অস্বস্তি বাড়ছে বিজেপির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন