গার্গী কলেজের অধ্যক্ষার ইস্তফার দাবিতে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ

গার্গী কলেজের ঘটনায় ক্ষুব্ধ কেজরিওয়াল, উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে ছাত্রী-বিক্ষোভ

স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের দিল্লি পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০, ১৬:২৩

options
link
গার্গী কলেজের ঘটনায় ক্ষুব্ধ কেজরিওয়াল, উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে ছাত্রী-বিক্ষোভ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বহিরাগতদের অভব্যতার বিরুদ্ধে সরব দিল্লির গার্গী কলেজের পড়ুয়া ও অধ্যাপকরা। ৬ ফেব্রুয়ারি কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন বহিরাগতরা কলেজে ঢুকে তাণ্ডব চালায়। ছাত্রীদের হেনস্থা করে। এরপর তিনদিন কেটে গেলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তাই কলেজের উপাচার্যের ইস্তফার দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা। সোমবার সকাল থেকে কলেজের ভিতরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পড়ুয়ারা।

Advertisement

এমন পরিস্থিতিতে কলেজে আসেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা। এমনকী ছাত্রীদের সঙ্গে এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা করেছেন দিল্লির বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি করেছেন তিনি। তবে দিল্লি পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করেছে। সিসিটিভি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে তুমুল গুলির লড়াই, শহিদ ২ কোবরা জওয়ান]

গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লির গার্গী কলেজে অনুষ্ঠান চলছিল। ছাত্রীদের দাবি, সেই সময় কলেজের সামনে দিয়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে মিছিলকারীরা যাচ্ছিলেন। ছাত্রীরা বলেন, “ওই মিছিলে পা মেলানো বেশ কয়েকজন মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি কলেজে ঢুকে পড়ে। কলেজের ভিতরে আমাদের হেনস্তা করা হয়। তারা আমাদের সামনেই হস্তমৈথুন করে। শৌচালয়েও আটকে দেওয়া হয় বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে। সেখানেও তাঁদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়।” আচমকা ‘বহিরাগত’দের হামলায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ছাত্রীরা। তড়িঘড়ি কলেজ ছেড়ে বেরিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন কেউ-কেউ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন ছাত্রীরা। কলেজ কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানান অনেকেই। তারপরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

[আরও পড়ুন : ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে প্রেম নয়, পুজো করতে হবে বাবা-মাকে! ফতোয়া সুরাটে]

এদিন কলেজে আসেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা। এ প্রসঙ্গে কমিশনের চেয়ার পার্সন রেখা শর্মা বলেন, আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি মেয়েরা কলেজের ঘটনা গিয়ে লেখালিখি করছেন। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেইনি। আমি একটি দলকে কলেজে পাঠিয়েছিল। তাঁরা প্রিন্সিপালের সঙ্গে কথা বলবে।  ৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিল্লির বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীও। এ প্রসঙ্গে কেজরিওয়াল বলেন, “কলেজে পাঠরত মেয়েদের সঙ্গে এরকম আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। এদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.