যে ফতোয়া দেবে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক, আবেদন সোনুর

সোনুর গলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসাও শোনা গেল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০১৭, ১০:৫৬

options
link
যে ফতোয়া দেবে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক, আবেদন সোনুর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “মুসলিম নই। তা সত্ত্বেও লাউডস্পিকারে আজানের শব্দে কেন ঘুম ভাঙবে?” সোনু নিগমের এমন টুইট গত মাসে দেশ জুড়ে তুমুক বিতর্ক তৈরি করেছিল। জল এতদূর গড়ায় যে মুসলিম ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে তাঁর মাথা কামানোর ফতোয়াও জারি করা হয়েছিল। এবার এই ফতোয়ার বিরুদ্ধে সরব হলেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত গায়ক।

Advertisement

সোনু চান, যে বা যারা কারও মাথা কামানো অথবা মাথা কেটে নেওয়ার মতো ফতোয়া জারি করে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিক। একটি হিন্দি বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে এসে বলিউডের ভার্সাটাইল গায়ক বলেন, “আমার ঈশ্বরের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। যিনি সর্বত্র রয়েছেন। কিন্তু ফতোয়া জারি করার মতো বিষয় আমি একেবারেই মেনে নিতে পারি না। যারা মাথা কামানো, খুন করার নামে মানুষকে হুমকি দিয়ে যাবে। একবার আমার মাথা কেটে নেওয়ার ফতোয়া জারি করা হয়েছিল। আমার মতে, সরকারের এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বারের মতো ধর্মস্থানে লাউডস্পিকারের ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানে অনড় থাকা সোনু আরও বলেন, “আমরা একটি সভ্য এবং গণতান্ত্রিক দেশে বাস করি। তা সত্ত্বেও কীভাবে আমরা ফতোয়ার মতো বিষয়গুলিকে চলতে দিতে পারি।” সাধারণ মানুষের উপর গো-রক্ষকদের অত্যাচারেরও চরম বিরোধিতা করেছেন তিনি।

[ঘুষ নিয়েছে কেজরি, অভিযোগে সিবিআইয়ের দ্বারস্থ বরখাস্ত মন্ত্রী কপিল]

হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও লাউডস্পিকারে আজানের শব্দেই যে তাঁর ঘুম ভাঙে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে তার প্রমাণও দিয়েছিলেন তিনি। কারও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করে মসজিদ বা গুরুদ্বারে লাউডস্পিকার বন্ধ করার দাবি তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু মুসলিমদের আবেগে আঘাত করার অভিযোগে সোনু নিগমের উপর ফতোয়াও জারি করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু ইউনাইটেড কাউন্সিলের সহ-সভাপতি তথা মৌলবি সৈয়দ শাহ আতেফ আলি আল কাদরি৷ হুমকি দিয়েছিলেন, সোনুর মাথা কামিয়ে গলায় একজোড়া ফাটা জুতোর মালা পরিয়ে গোটা দেশে ঘোরাতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা ইনাম দেবেন। ইমামের ফতোয়ার যোগ্য জবাবও দেন সোনু। নিজেই সাংবাদিক বৈঠক ডেকে মাথার চুল কামিয়ে ফেলেন।

[এখনও জঙ্গলরাজই চলে বিহারে, লালু-নীতিশকে কটাক্ষ রামবিলাসের]

ওই টিভি চ্যানেলে সোনু বলেন, “গুণ্ডামি আমি একদম পছন্দ করি না। ধর্মের নাম করে দল বেঁধে কোনও পরিবারকে গিয়ে হুমকি দেওয়া চলে কি? আমাদের দেশে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসব বন্ধ হওয়া উচিত।” সোনুর গলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসাও শোনা গেল। বললেন, “আমরা সবাই ভাল কাজ করছি। রাজনৈতিক মন্তব্য নয়। কিন্তু আমার বিশ্বাস ‘আচ্ছে দিন’ আসছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন