ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প

নজরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, ফের বড়সড় আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্র

লকডাউনে ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটির প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২০, ১২:৫৮

options
link
নজরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, ফের বড়সড় আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জেরে ব্যপক ক্ষতির মুখে পড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ত্রাতা হয়ে আসতে চলেছে কেন্দ্র। সুত্রের খবর, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (Small and Medium Enterprises) জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে অর্থমন্ত্রক। যা দু’ভাগে ভাগ করে ব্যবহার করা হবে। প্রাথমিক আলোচনা ইতিমধ্যেই সারা। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের নেতৃত্বাধীন ব্যয় বিষয়ক আর্থিক কমিটি (Expenditure Finance Committee) দুটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করে তা ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভায় পাঠিয়ে দিয়েছে। মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকেই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে এই বিপুল অনুদানে ছাড়পত্র মিলতে পারে। এমনটাই দাবি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের। 

Advertisement

করোনা নামক মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গোটা দেশে লকডাউন চলছে। দু’দফায় মোট ৪০ দিন বন্ধ থাকবে গরিবের রুজিরুটি। ইতিমধ্যেই প্রায় একমাস বিধিনিষেধের গেরোয় আটকে আছে দেশ। লকডাউন মানতে গিয়ে বহু গরিব মানুষকে পেটে গামছা বেঁধে থাকতে হচ্ছে। ভাঁড়ারে টান পড়েছে, হাতে টাকা নেই। দেশজুড়ে লকডাউনের জেরে যেমন সাধারণ মানুষকে ভুগতে হচ্ছে, তেমনি শিল্পকারখানাগুলিতেও ঝুলছে তালা। বিশেষ করে সমস্যায় পড়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্র। লকডাউনের জেরে উৎপাদন দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। সোমবার থেকে বহু শিল্পক্ষেত্র খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও কাঁচামালের অভাব, অপ্রতুল শ্রমিক এবং সর্বোপরি উৎপাদিত পণ্য বিক্রির পরিকাঠামোর অভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না এই শিল্পক্ষেত্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ধরিত্রী দিবসে করোনা যোদ্ধাদের প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী]

এই অবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রকে ২০ হাজার কোটির সাহায্যের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই অর্থ দুভাগে ভাগ করা হবে। একটি অংশ ব্যবহৃত হবে জীর্ণ কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আছে এমন শিল্পগুলির ক্ষেত্রে। এদের মূলধন দিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করা হবে। আরেকটি অংশ ব্যবহৃত হবে মোটামুটি ভাল জায়গায় আছে সেইসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পণ্যের মানোন্নয়ন ও উৎপাদন বাড়ানোর কাজে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে অর্থনীতির অন্যতম ভিত বলে মনে করা হয়। তাই এই ক্ষেত্রটিতে বিশেষ নজর দিতে চায় অর্থমন্ত্রক।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন