জিএসটি-র কল্যাণে ডিসেম্বরেই ‘মেগা সেল’, পোয়াবারো ক্রেতাদের

প্রায় অর্ধেক দামে মিলবে পোশাক, ইলেকট্রনিক্স দ্রব্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০১৭, ০৩:১৩

options
link
জিএসটি-র কল্যাণে ডিসেম্বরেই ‘মেগা সেল’, পোয়াবারো ক্রেতাদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাম দিয়েছিলেন ‘গুড অ্যান্ড সিম্পল ট্যাক্স’। কিন্তু যত সাধারণ মনে করা হয়েছিল তত সরলও থাকেনি পুরো বিষয়টি। জুলাই থেকে শুরু হয়ে এ পর্যন্ত তাই বারবার নিয়ম বদল করতে হয়েছে অর্থমন্ত্রককে। বিরোধীদের চাপও বেড়েছে। শেষমেশ রাহুল গান্ধীর ভাষায়, তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘গব্বর সিং ট্যাক্স’। জিএসটি-র জেরে সাধারণ মানুষ যে বেশ খানিকটা নাজেহাল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এই ডিসেম্বরে অন্তত খানিকটা লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে আম-আদমির।

Advertisement

নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ভুল, শত্রুঘ্ন সিনহার মন্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কী কারণে সাধারণ মানুষ লাভের মুখ দেখবেন? জানা যাচ্ছে, কিছু কিছু রিটেল স্টোর ও চেনগুলি ইতিমধ্যেই বড়সড় স্টক ক্লিয়ারেন্সের পরিকল্পনা নিয়েছে। বছরশেষেই এই মেগা ক্লিয়ারেন্স সেলের ভাবনা। তা এই ধরনের সেল যে হয় না তা নয়। তাহলে এবছরটা আলাদা কোথায়? আসলে ১ জুলাই থেকে চালু হয়েছে জিএসটি। তার আগে রিটেলাররা যে জিনিস ইনভয়েস ছাড়াই কিনেছেন, তাঁরা ছ’ মাসের পর আর ট্রানজিশনাল ক্রেটিড বা ইনপুট ক্রেডিট পাবেন না। তাই সমস্ত বড় সংস্থাগুলিই ছয় মাসের মধ্যেই আগে তোলা জিনিস বিক্রি করে দিতে চাইবে। সেক্ষেত্রে শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর। রিটেলার চেনগুলির তাই ভাবনা, যত বেশি ছাড় দিয়ে হলেও স্টক ক্লিয়ার করার। তাতে আখেরে লাভবান হবেন সাধারণ মানুষ। কেননা পোশাক থেকে শুরু করে ঘরের জিনিস, রান্নাঘরের সামগ্রী ইত্যাদিতে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় মিলতে পারে।

Advertisement

‘আমি নরেন্দ্র মোদি বলছি’, জনসংযোগে নেতা-কর্মীদের ফোন প্রধানমন্ত্রীর ]

যদিও এই তাড়াহুড়ো নিয়ে ব্যবসায়ীমহলের একাংশে ক্ষোভ ঘনীভূত হয়েছে। কোনও আইনের বাধ্যবাধকতা ব্যবসায়ীকে এভাবে জিনিস বিক্রি করতে বাধ্য করুক, তা কাম্য নয় বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু চলতি নিয়ম বলবৎ থাকলে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই জিএসটি-র আগে তোলা দ্রব্য বিক্রি করে দিতে হবে। অন্যথায় ইনপুট ক্রেডিট দাবি করা যাবে না। ফলত আর্থিক ক্ষতির একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সমস্যা যাতে এত জোরদার না হয়, তার জন্য দিওয়ালি সেলের দিকে নজর ছিল রিটেলার ও চেনগুলির। কিন্তু এ বছর ডিসকাউন্টের হাতছানি সত্ত্বেও দিওয়ালি সেল প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। ফলে পাখির চোখ বছর শেষের মেগা সেল। ইনপুট ক্রেডিট দাবি করতে যত বেশি ছাড় দিয়ে হলেও জিনিস বিক্রির চেষ্টা করবেন ব্যবসায়ীরা। তাতে লাভের মুখ দেখবে আম-আদমি। তবে দেশের ব্যবসার ক্ষেত্রে এই মেগা সেল কতটা সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ, সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.