সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুরুটা হয়েছিল ইউরোপ ও রাশিয়ায়। কিন্তু মারণ গেম ব্লু হোয়েল এখন থাবা বসিয়েছে ভারতেও। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই অনলাইন গেমের খপ্পরের পড়ে কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যা বা আত্মহননরে প্রবণতা বেড়েই চলেছে। সোমবার রাজস্থানে এই গেমের ফাঁদে পড়ে লেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ১৭ বছরের এক কিশোরী। এই পরিস্থিতিতে এবার নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে ব্লু হোয়েল নিষিদ্ধ করতে উদ্যোগ নিল গুজরাট সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি জানিয়েছেন, রাজ্যে এই মারণ গেমটিকে কীভাবে নিষিদ্ধ করা যায়, তার রূপরেখা তৈরি করতে স্বরাষ্ট্র দপ্তর ও মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
[ব্লু হোয়েল ফাঁদ: বাবা-মাকে বাঁচাতে আত্মহত্যার চেষ্টা কিশোরীর]
ব্লু হোয়েল নিষিদ্ধ করার জন্য প্রয়োজনে অডিন্যান্স জারিরও পরিকল্পনা করেছে গুজরাট সরকার। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি বলেন, ‘ প্রশাসনের আধিকারিকদের ‘ব্লু হোয়েল’ নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছি। প্রয়োজনে অর্ডিন্যান্স জারি করা হবে। এই গেমের খপ্পরে পড়ে কিশোর-কিশোরীরা আত্মহত্যা করবে, এটা কখনই মেনে নেওয়া যায় না। গুজরাটে এই গেম নিষিদ্ধ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
[‘ব্লু হোয়েল’-এর নেশা থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের দ্বারস্থ এই কিশোর]
প্রসঙ্গত, গত ১ সেপ্টেম্বর গুজরাটের পালানপুরে সরবমতী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন অশোক মালুনা নামে এক ব্যক্তি। আত্মহত্যা করার আগে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন তিনি। ভিডিও-তে অশোক মালুনা জানিয়েছিলেন, মোবাইলে ব্লু হোয়েল খেলতেন তিনি। গেম শেষ ধাপে পৌঁছে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও মারণ গেমের খপ্পরে পড়ে আত্মহত্যার অভিযোগ মানতে নারাজ পুলিশ। তাদের দাবি, ক্যানসারে আক্রান্ত অশোক মালুনা মানসিক অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন।
[‘ব্লু হোয়েল’কে আটকাবেন কী করে, পথ দেখাচ্ছে Unicef]
সর্বশেষ খবর
-
প্রতীক নিয়ে জটিলতা হুমায়ুনের দলেও! রেজিনগরে বিধায়কপুত্রের ‘বাঁশি’ চিহ্নে লড়াই নিয়ে চরমে অনিশ্চয়তা
-
জোড়াফুলের শ্রাদ্ধ! তৃণমূলের প্রতীক ‘মৃত্যু’তে পুরোহিত ডেকে অভিনব কর্মসূচি বিজেপির
-
নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর! মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন মমতার ‘শেষ সৈনিক’ রবিউলও? জল্পনা তুঙ্গে
-
আবেগের নাম ‘জোড়াফুল’! প্রতীক হারিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মমতা, মামলায় যুক্ত ঋতব্রতরাও
-
জুরাসিক যুগের প্রাণী, মেলে শুধু উত্তরবঙ্গেই! কার্শিয়াংয়ে হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘হিমালয়ান সালাম্যান্ডার স্যাংচুয়ারি’