সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদ হামলার মূলচক্রী ললিত ঝা গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত বুধবার দুপুর থেকেই গোটা দেশে সংসদে দুই অজ্ঞাতপরিচয়ের গ্যাস হামলার ঘটনা ঘিরে তোলপাড় চলছে। আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে সংসদে উপস্থিত চার অভিযুক্ত-সহ পাঁচজনকে। এবার পুলিশের জালে ললিতও। প্রশ্ন উঠছে কে এই ললিত?
ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন ললিত (Lalit Jha)। বিহারের বাসিন্দা হলেও কলকাতাতেই শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। ভগৎ সিংয়ের ভক্ত এই ব্যক্তি নাকি অভিযুক্তরা স্মোক গ্রেনেড ছোড়ার সময় তার ভিডিও করে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রধানকে দেন, যাতে সেই ভিডিওটি সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি নিজে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক।
[আরও পড়ুন: নিজের বাড়িতে সিঁধ কেটেছিলেন ‘ডাকাত’ বউ! আগরপাড়া ডাকাতিতে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]
তদন্তকারীদের দাবি, বেশ কয়েক মাস ধরে সংসদে হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন ললিত। মানুষ হিসেবে রীতিমতো চুপচাপই থাকতেন। স্থানীয় পড়ুয়াদের পড়াতেন। বউবাজারের মুখচোরা ললিত যে এমন কিছু করতে পারেন এটা তাঁর পরিচিতদের কাছে অকল্পনীয়। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে এলাকার জনৈক চা বিক্রেতা জানিয়েছেন, দুবছর আগে বউবাজার ছাড়েন ললিত।
হামলার পর দিল্লি থেকে রাজস্থানে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। পরে সেখান থেকে ফের দিল্লি চলে আসেন। বৃহস্পতিবার সারাদিন ধরেই তাঁকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল পুলিশ। অবশেষে গভীর রাতে দিল্লির কর্তব্যপথ থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন ললিত। তাঁর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।
এদিকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ললিতের দাদা শম্ভু ঝাকে। তাঁর দাবি, ১০ ডিসেম্বর মা-বাবাকে ট্রেনে তুলে দেন ললিত। তার পর থেকে তাঁর সঙ্গে পরিবারের কারও কোনও যোগাযোগ নেই। শম্ভুর কথায়, ”কারা ওর মগজধোলাই করল বুঝতে পারছি না।”
[আরও পড়ুন: ‘হিন্দু হয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্ট হবেন?’ খোঁচার জবাবে কী বললেন রামস্বামী]
সর্বশেষ খবর
-
বিরাম নেই বৃষ্টির! কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, আর কী পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের?
-
‘হাত কেটে নেব’, সিন্ধুর জল বন্ধে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি পাকিস্তানের
-
আমলাদের গাড়ির পতাকাও এবার ‘ব’ মুক্ত, নকশায় ফিরল অশোক চক্র
-
দালালের রেট ২৫০! গুদাম তৈরির অনুমোদনে দেদার ‘দুর্নীতি’, তারাতলা-তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
-
ইটস টাইম ফর আফ্রিকা… হাড্ডাহাড্ডি পেনাল্টিতে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মরক্কো