J&K Operation

২০ বার চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছিল! জম্মু-কাশ্মীরে পাক জঙ্গিকে কীভাবে খতম করল যৌথ বাহিনী?

নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, আদিল পাক নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের নেতা সইফুল্লার ডান হাত বলেই পরিচিত। গত ১৮ মাস ধরে তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৯:২৫

options
link
২০ বার চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছিল! জম্মু-কাশ্মীরে পাক জঙ্গিকে কীভাবে খতম করল যৌথ বাহিনী?
নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত জইশ জঙ্গি আদিল।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফরের আগেই জম্মু-কাশ্মীরের কিস্তওয়ার এবং উধমপুরে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদেরই একজন আদিল। নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, আদিল পাক নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের নেতা সইফুল্লার ডান হাত বলেই পরিচিত। গত ১৮ মাস ধরে তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। কিন্তু প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী।

Advertisement

বুধবার সকালে উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া দুই জইশ কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর ওই দিন সন্ধ্যায় কিস্তওয়ারের তুষারাবৃত চাতরু অঞ্চলে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় আদিল। নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে, এলাকা ঘিরে ফেলে খতম করা হয়েছে ওই জইশ জঙ্গিকে। নিরাপত্তাবাহিনীর এক অফিসার বলেন, “এর আগে ২০ বার নিরাপত্তাবাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছিল আদিল। যতবারই ওকে ধরার চেষ্টা হয়েছে, ততবারই কোনও না কোনও ভাবে সে পালিয়েছে। এবার আর সে পালাতে পারেনি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আদিলকে খতম করার পর এবার সইফুল্লার খোঁজেও উপত্যকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে খবর, বছর দুয়েক আগে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করে সইফুল্লা। তার পর থেকেই সে কিস্তওয়ার এবং দোদায় জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। একাধিকবার নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের ঘটনায় সইফুল্লা যুক্ত।

Advertisement

বুধবার বিকেলে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ যৌথ অভিযান চালায়। গোয়েন্দা সূত্রে কিস্তওয়ারের দুর্গম দিছড়ে অঞ্চলে ফের জঙ্গি আনাগোনার খবর পেয়েই এই অভিযান চালায় বাহিনীয় আর তাতেই আসে সাফল্য।

বাহিনী সূত্রে খবর, মঙ্গলবার উধমপুরে অভিযান চালানোর সময়ে রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুবায়ের একটি গুহায় আটকে ছিল। বাহিনীর সঙ্গে তাদের প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে গুলির লড়াই চলে। সকালে ওই গুহা থেকে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে ওই দুই জইশ কমান্ড্যান্ট। অভিযানে একটি এম ফোর কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড-সহ প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। তিন জঙ্গি নিকেশ হলেও এখনও বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন