Nihangs

গুরুদ্বার দখল, পণবন্দি পুণ্যার্থী! পুলিশের সামনে ‘বিজয় মিছিল’ নিহাঙ্গ শিখদের, তুঙ্গে বিতর্ক

দীর্ঘ টালবাহানার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাওন্টা সাহিবের কয়েকজন নিহাঙ্গ শিখ নেতার মধ্যস্থতায় সমস্যার সমাধান হয়। গুরুদ্বারের ছাদে যে সমস্ত নিহাঙ্গ শিখরা অবস্থানে ছিলেন, তাঁরা নেমে আসেন। ছেড়ে দেওয়া হয় ওই পুণ্যার্থীকেও। এরপর তাঁরা প্রত্যেকে গুরুদ্বার ত্যাগ করে। মঙ্গলবার থেকেই একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৮:০৮

options
link
গুরুদ্বার দখল, পণবন্দি পুণ্যার্থী! পুলিশের সামনে ‘বিজয় মিছিল’ নিহাঙ্গ শিখদের, তুঙ্গে বিতর্ক
‘বিজয় মিছিল’ করে পুলিশের সামনে দিয়ে গুরুদ্বার ছাড়ছেন নিহাঙ্গ শিখরা। ছবি: সংগৃহীত।

টানা তিন দিন গুরুদ্বার দখল করে রেখেছিলেন। শুধু তাই নয়, গুরুদ্বারের ছাদে এক পুণ্যার্থীকে পণবন্দিও করে রেখেছিলেন। অবশেষে মঙ্গলবার কার্যত ‘বিজয় মিছিল’ করে পুলিশের সামনে দিয়ে গুরুদ্বার ছাড়েন সেই নিহাঙ্গ শিখরা। এরপরই বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement

দীর্ঘ টালবাহানার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাওন্টা সাহিবের কয়েকজন নিহাঙ্গ শিখ নেতার মধ্যস্থতায় সমস্যার সমাধান হয়। গুরুদ্বারের ছাদে যে সমস্ত নিহাঙ্গ শিখরা অবস্থানে ছিলেন, তাঁরা নেমে আসেন। ছেড়ে দেওয়া হয় ওই পুণ্যার্থীকেও। এরপর তাঁরা প্রত্যেকে গুরুদ্বার ত্যাগ করে। মঙ্গলবার থেকেই একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাইকে করে বেরিয়ে যাচ্ছেন নিহাঙ্গ শিখরা। তাদের বেরিয়ে যেতে সাহায্য করছেন উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকরা। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। পুলিশের এহেন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এক নেটিজেন লেখেন, ‘পুলিশের সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছে।’ আরও একজন লিখেছন, ‘উপযুক্ত পদক্ষেপের বদলে পক্ষপাতিত্ব করছে পুলিশ।’     

Advertisement

শনিবার সন্ধ্যায় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাত জন নিহাঙ্গ শিখ গুরুদ্বারে প্রবেশ করেন। এরপর গুরুদ্বারের ছাদে এক পুণ্যার্থীকে পণবন্দি করে রাখেন তাঁরা। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘিরে রাখা হয়েছে গোটা এলাকা। গুরুদ্বারের ছাদে অবস্থানরত সাতজনকে নিচে নেমে আসার জন্য আহ্বান জানান পুলিশ আধিকারিকরা। কিন্তু তাঁরা কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। কী কারণে গুরুদ্বার এহেন ‘হামলা’ চালাল তাঁরা? জানা গিয়েছে, গত ১৬ জুন কার্নপ্রয়াগে হেমকুণ্ড সাহিব থেকে ফেরা মোহালির কয়েকজন নিহঙ্গ শিখদের সঙ্গে স্থানীয়দের বচসা বাঁধে। ক্রমে তা বড়সড় সংঘর্ষে পরিণত হয়। অভিযোগ, নিহঙ্গ শিখরা তলোয়ার নিয়ে হামলা চালান স্থানীয়দের উপর। তাতেই এক নিহঙ্গ শিখ-সহ আহত হন চারজন। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তদের। তাঁদের মুক্তির দাবিতেই গুরুদ্বারের দখল করে নিহাঙ্গ শিখদের ওই দল।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.