Delhi High Court

‘বেকার বলে স্ত্রী, সন্তানের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না স্বামী’, বলল দিল্লি হাই কোর্ট

২০১৩ সালে বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে তাঁর ওপর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা শারীরিক, মানসিক নির্যাতন, হেনস্তার অভিযোগ জানান ওই মহিলা। গর্ভের সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হন তিনি। ২০১৫ থেকে তিনি ছেলেকে নিয়ে আলাদা থাকেন বলে জানান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ০৯:৪৫

options
link
‘বেকার বলে স্ত্রী, সন্তানের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না স্বামী’, বলল দিল্লি হাই কোর্ট
দিল্লি হাই কোর্ট। ফাইল ছবি।

বেকার থাকার যুক্তি দেখিয়ে স্ত্রী, শিশুসন্তানের দেখভালের আইনি দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না স্বামী। এহেন পর্যবেক্ষণের সূত্রে গার্হস্থ্য হিংসা মামলায় এক ব্যক্তিকে সন্তানের পরিচর্যার জন্য মাসে ৬০০০ টাকা দিতে বলেছে দিল্লি হাই কোর্ট। পারিবারিক হিংসা থেকে নারীদের সুরক্ষা আইনে এক মহিলাকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে অস্বীকার করেছিল নিম্ন আদালত। দিল্লি হাই কোর্টে সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। তাঁর আবেদনের শুনানি হয় অতিরিক্ত দায়রা বিচারক শীতল চৌধুরি প্রধানের এজলাসে। ২ জুনের আদেশে আদালত বলেছে, এক্ষেত্রে স্বামীকেই নিজের খরচ সামলাতে হবে। তিনি কর্মহীন বা অন্যান্য দায়দায়িত্ব পালন করতে হয়, স্রেফ এই কারণ দেখিয়ে বিয়ে করা বৈধ স্ত্রী ও নাবালক সন্তানের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি মিলবে না।

Advertisement

আদালত বলেছে, সংশ্লিষ্ট স্বামী ব্যক্তিটি শারীরিক সক্ষম। ভরণপোষণ দেওয়ার ক্ষমতা আছে। সন্তান সাবালক হওয়া পর্যন্ত তার দেখভালের জন্য মাসে ৬ হাজার টাকা দিতে হবে তাঁকে। মহিলাটি শিক্ষিত, তাই আর্থিক সুরাহা পাওয়ার অধিকার নেই, এই যুক্তি উড়িয়ে দিয়েছেন বিচারক। রায়ে তিনি বলেছেন, আয় করার ক্ষমতা আর বাস্তবে উপার্জন করা- দুটো পৃথক ধারণা। স্বামী কোনও তথ্য দিয়ে প্রমাণ করতে পারেননি যে, স্ত্রী নিজের ও শিশুসন্তানের দায়িত্ব পালনের জন্য যথেষ্ট উপার্জন করছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১৩ সালে বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে তাঁর ওপর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা শারীরিক, মানসিক নির্যাতন, হেনস্তার অভিযোগ জানান ওই মহিলা। গর্ভের সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হন তিনি। ২০১৫ থেকে তিনি ছেলেকে নিয়ে আলাদা থাকেন বলে জানান। আদালতের নথিতে প্রকাশ, ২০১৫য় পরিবার আদালতে ওই দম্পতির সাময়িক রফা হয়। যদিও কয়েক মাস ভাড়াবাড়িতে থাকার পর ফের বিচ্ছিন্ন হন তাঁরা। গার্হস্থ্য হিংসা ও পণের দাবিতে অত্যাচার প্রমাণ হয়নি, কারণ দেখিয়ে মহিলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল নিম্ন আদালত।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.