সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০৩০ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক ভারতীয় নৌবাহিনীকে ঢেলে সাজাতে চলেছে৷ আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ ও সংরক্ষণের জন্য ভবিষ্যতে নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করা যে খুব জরুরি, সে কথা মোক্ষম বুঝেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা৷ ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীই বিশ্বকে শাসন করবে, মনে করছেন মন্ত্রকের কর্তারা৷ একা ভারত নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে চিনও তাদের নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করবে৷ পাশাপাশি উত্তর কোরিয়া ও জাপানও নৌবহরকে ঢেলে সাজাবে৷
নৌবহরের দুটি বিশেষ ক্ষেত্র নৌসেনার শক্তিকে প্রতিফলিত করে৷ প্রথমটি হল এয়ারক্রাফট কেরিয়ার ও দ্বিতীয়টি ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন৷ দ্বিতীয়টি স্বাভাবিকভাবেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ, আচমকা পরমাণু হামলা চালাতে এর জুড়ি মেলা ভার৷ ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় ও গোটা দুনিয়ার মধ্যে আনুমানিক তৃতীয় স্থান অধিকার করে ফেলবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা৷
সবকিছু ঠিকঠাক চললে, ওই সময়সীমার মধ্যেই তিনটি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার্স থাকবে ভারতের হাতে৷ বিক্রমাদিত্য, বিক্রান্ত ও বিশাল৷ তিনটি যুদ্ধজাহাজ একসঙ্গে ১১০-১২০টি এয়ারক্রাফট বহনে সক্ষম৷ একইসঙ্গে ২০৩০-এর মধ্যে ভারতের হাতে অন্তত ৯টি ডেস্ট্রয়ার চলে আসবে৷ যার মধ্যে দুটি গাইডেড মিসাইল-সহ কলকাতা ক্লাস, তিনটি দিল্লি ক্লাস ও চারটি বিশাখাপত্তনম ক্লাস৷ শক্তি বাড়ানো হবে শিবালিক ও তলওয়ার ক্লাসেরও৷ গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, পাকিস্তান তাদের সাবমেরিনকে পরমাণু হামলায় সক্ষম বানাচ্ছে৷ পাল্টা ভারতও দ্রুত তিনটি নিউক্লিয়ার পাওয়ার্ড ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন অরিহন্ত তৈরির কাজ শেষ করতে চায়৷ ফ্রান্সের সহযোগিতায় কালভারি ক্লাসে ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন তৈরির কাজও এখন প্রায় শেষের পথে৷
সর্বশেষ খবর
-
দুই বউকেই থাকতে দিতে হবে ঘরে, আজব দাবিতে ২০০ ফুট উঁচু মোবাইল টাওয়ারে যুবক!
-
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত কোথায়? সংসদে লিখিতভাবে জানাল মোদি সরকার
-
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের