২০২২ সালে জি-২০ সম্মেলন হবে ভারতে, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

কেন ২০২২ সালেই সম্মেলনের আবেদন জানালেন প্রধানমন্ত্রী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০১৮, ১০:২২

options
link
২০২২ সালে জি-২০ সম্মেলন হবে ভারতে, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির বছরে জি-২০ সম্মেলন হবে ভারতে। শনিবার একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর্জেন্টিনায় শনিবারই সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে জি-২০-র মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একথা ঘোষণা করেন। তাঁর এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকেই প্রমাণ করে।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ইটালিকে অনুরোধ করেন ২০২১ সালে তারা যেন জি-২০ সামিটের আয়োজন করে। ভারতকে যেন ২০২২ সালে এই সম্মেলনের ভার দেওয়া হয়। কারণ ওই বছরই ভারতে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্ণ হবে। ইটালি সানন্দে রাজি হয়ে যায়। তাই ২০২২ সালে ভারতে জি-২০ সম্মেলন হওয়া একপ্রকার নিশ্চিত বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অসমে চলন্ত এক্সপ্রেসে আইইডি বিস্ফোরণ, জখম বহু  ]

Advertisement

জি-২০ সম্মেলনে প্রথমে আমেরিকা, জাপানের সঙ্গে প্রথমবার ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল তথা বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষার কথা মাথায় রেখেই এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। যার শেষে এই বন্ধুত্বকে নতুন নামও দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জাপান-আমেরিকা-ইন্ডিয়া বা ‘জয়’। তিন দেশের নামের আদ্যক্ষর (জেএআই)। আবার তার অব্যবহিত পরই আর এক দফা ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন ভারত-রাশিয়া-চিনের রাষ্ট্রপ্রধানরা। ১২ বছর পর ফের তিন দেশের এই যৌথ বৈঠকে রাষ্ট্রসংঘ, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে সংস্কারের ডাক দেওয়া হয়। গোটা বিশ্বের উন্নয়নের স্বার্থে বহুমুখী বাণিজ্য ও মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতির দরকার বলে তাঁরা মন্তব্য করেন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দু’দেশের সম্পর্কের প্রত্যক্ষ উন্নতির কথা মেনে নেয় বেজিং ও নয়াদিল্লি।

শুক্রবার রাতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন মোদি, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বৈঠক ফলপ্রসূ হয়। তিন দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হওয়া উচিত বলে তিন রাষ্ট্রপ্রধানই মেনে নেন। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতাবস্থা রক্ষায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁরা একযোগে কাজ করবেন বলেও জানান। বৈঠক শেষে এই কথা জানান বিদেশসচিব বিজয় গোখলে। তাঁর দাবি, সন্ত্রাসদমন, বিপর্যয় মোকাবিলা, ত্রাণ ও অন্য বিষয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই না করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার গুরুত্ব সকলেই বুঝেছেন। যাতে নিজ নিজ শক্তি অনুযায়ী বিশ্বের উন্নতিতে অবদান রাখা যায়।

তার আগে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী মোদি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। বৈঠক শেষে বিদেশসচিব জানিয়েছেন, তিন নেতার মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। দুই নেতাই মোদির উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসা করেছেন বলে জানান বিদেশসচিব। বৈঠকে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়েও তিন নেতা নিজেদের মত বিনিময় করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

ফের বিয়ের সানাই আম্বানি পরিবারে! শীঘ্রই ছাঁদনাতলায় অনন্ত? ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন