‘ইংরাজি নয়, মাতৃভাষায় বেশি করে কথা বলুন ভারতীয়রা’

বার্তা উপরাষ্ট্রপতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৯, ১৪:১৫

options
link
‘ইংরাজি নয়, মাতৃভাষায় বেশি করে কথা বলুন ভারতীয়রা’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধসম। এ কথা যেন ভুলতেই বসেছেন ভারতীয়রা। মাতৃভাষাকে অবহেলা করে মুখে খই ফুটছে ভিনদেশি ভাষায়। এ যে ভাষার অপমৃত্যুর অশনিসংকেত তা বলাই যায়। আর তাই ভারতীয়দের নিজেদের মাতৃভাষায় বেশি করে কথা বলার পরামর্শ দিলেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নায়ডু।

Advertisement

[ ‘ধর্ষক’ ছেলেকে কী শাস্তি দিলেন মা? জানলে শিউরে উঠতে হয়  ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিংবদন্তি কর্নাটকি সংগীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর জন্মদিন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন নায়ডু। সেখানেই তিনি জানান, কেন একজন তামিল ব্যক্তি আর এক জন তামিলের সঙ্গে ইংরাজিতে কথা বলবেন? তেলুগু যাঁর মাতৃভাষা আর একজন তেলুগু জানা লোকের সঙ্গে কেন তিনি ভিনদেশি ভাষায় কথা বলবেন? তাঁর মতে, ভারতীয়দের উচিত সমবসময় নিজের মাতৃভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সে ভাষাতেই বেশি করে কথা বলা। এদিন নিজের দেশের ভাষা ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে  উপরাষ্ট্রপতি বলেন, নিজের মাতৃভূমি, সংস্কৃতি, মাতৃভাষাকে সম্মান করতে হয়। যাঁরা তা করতে পারেন না, তাঁরা আর যাই হোন মানুষ নন। নায়ডু বলেন, নিজস্ব সংস্কৃতিকে যত্ন করা, সংরক্ষণ করা আমাদেরই দায়িত্ব। সারা পৃথিবী এখন ভারতের দিকে তাকিয়ে। ভারতের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পারিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা, মূল্যবোধের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে পশ্চিমের দেশগুলি। আর আমরাই ভুলবশত পশ্চিমী সংস্কৃতিতে মন দিচ্ছি। তাহলে কি অন্য সংস্কৃতির দিকে তাকানোতে আপত্তি তুলছেন উপরাষ্ট্রপতি? বক্তব্যে সংযোজন করে তিনি তাই বলেন, কোনও সংস্কৃতি থেকে ভাল কিছু গ্রহণ করার মধ্যে কখনও আপত্তি থাকতে পারে না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ভুলে যেতে হবে। মাতৃভাষার সঙ্গে যেন লেগে থাকে মাতৃগর্ভের ওম। আর তাই কখনওই তা ভুলে যাওয়া উচিত নয়, তাকে অবহেলা করা উচিত নয় বলেই জোরাল গলায় জানান উপরাষ্ট্রপতি।

Advertisement

শেষমেশ হিন্দু মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি পেলেন শিল্পী জেসুদাস  ]

প্রসঙ্গত কদিন আগেই আঞ্চলিক ভাষাগুলির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনি জানিয়েছিলেন, আঞ্চলিক ভাষাগুলিকে আরও সম্মান করতে হবে। হিন্দিভাষীদের আগ্রাসনের অভিযোগ উঠেছে, বিশেষত দক্ষিণের রাজ্যগুলি এ ব্যাপারে কড়া প্রতিরোধের মনোভাব অবলম্বন করেছে। এই পরিস্থিতি পালটাতেই আরও সহনশীল হওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। এদিন উপরাষ্ট্রপতির মাতৃভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাটিতেও যেন প্রচ্ছন্নভাবে জেগে থাকল সেই আঞ্চলিক ভাষাকে সম্মান করার প্রসঙ্গটিও।

ডাক্তারিতে সুযোগ না পাওয়ায় স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারল স্বামী ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.