Allahabad High Court

‘ধর্ম পরিবর্তন না করে ভিন্ন ধর্মে বিয়ে অবৈধ’, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাই কোর্টের

মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২৯ আগস্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৫, ১৭:১৮

options
link
‘ধর্ম পরিবর্তন না করে ভিন্ন ধর্মে বিয়ে অবৈধ’, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাই কোর্টের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ধর্ম পরিবর্তন না করে ভিন্ন ধর্মের বিয়ে অবৈধ ও বেআইনি।’ শনিবার এক মামলার প্রেক্ষিতে এমনটাই জানাল এলাহাবাদ হাই কোর্ট। এই মামলার প্রেক্ষিতে হাই কোর্টের তরফে উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাজ্যের আর্য সমাজ সমিতিগুলি ভিন্ন ধর্মের নাবালক দম্পতিদের যে বিয়ের শংসাপত্র দিয়েছে সেগুলি তদন্ত করে দেখার। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২৯ আগস্ট।

Advertisement

এই বিতর্কের সূত্রপাত এক নাবালিকার বিবাহকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি নাবালিকাকে অপহরণ করে আর্য সমাজ মন্দিরে নিয়ে করেন। আর্য সমাজ সমিতির তরফে সেই বিয়ের শংসাপত্রও দেওয়া হয়। এই ঘটনার বিরুদ্ধে থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ এবং পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। এর বিরুদ্ধেই সোনু ওরফে সাহনুর এলাহাবাদ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। তিনি জানান, যাকে তিনি বিয়ে করেছিলেন সে এখন প্রাপ্ত বয়স্ক এবং একসঙ্গে সংসার করছেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলা খারিজ করা হোক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর পালটা উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়, ওই যুগল ভিন্ন ধর্মের ছিলেন। বিয়ের আগে যেহেতু তাঁরা ধর্ম পরিবর্তন করেননি ফলে এই বিবাহ অবৈধ। সরকারের যুক্তি গ্রহণ করেছে আদালত। খারিজ করা হয়েছে মামলাকারীর আর্জি। এই ঘটনায় আর্য সমাজের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতি প্রশান্ত কুমারের সিঙ্গেল বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, বেশ কয়েকটি আর্য সমাজ প্রতিষ্ঠান যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই নাবালক-নাবালিকা ও ভিন্ন ধর্মের বিয়ের শংসাপত্র জারি করেছে। স্বরাষ্ট্রসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অবিলম্বে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ করার। একই সঙ্গে ভিন্ন ধর্মের এই বিয়েকে অবৈধ বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

Advertisement

উল্লেখ্য, চিরাচরিত প্রথা এড়িয়ে বৈদিক আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হিন্দু বিবাহ দেয় আর্য সমাজ মন্দিরগুলি। আচার অনুষ্ঠান এড়িয়ে দ্রুত ও কম খরচে বিয়ে দেয় এই সংগঠন। তবে বিয়ের শর্ত হল বিয়েতে ছেলের বয়স হতে হবে ন্যূনতম ২১ ও মেয়ের ১৮। এখানে ভিন্ন ধর্মের যুগলকেও বিয়ে দেওয়া হয় হিন্দু রীতি মেনে। বিয়ের পর দেওয়া হয় শংসাপত্রও। আর্য সমাজের এই বিবাহ ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে আইনত স্বীকৃত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন