কাশ্মীর

ব্রাত্য শহিদদের পরিবার, নিহত জঙ্গিদের পরিজনের জন্য স্কলারশিপ ঘোষণা কাশ্মীর প্রশাসনের

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২০, ১৬:৩১

options
link
ব্রাত্য শহিদদের পরিবার, নিহত জঙ্গিদের পরিজনের জন্য স্কলারশিপ ঘোষণা কাশ্মীর প্রশাসনের
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিহত সন্ত্রাসবাদীদের সন্তানদের জন্য স্কলারশিপ ঘোষণা করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন। সূত্রের খবর, শুধুমাত্র জঙ্গিদের পরিজনদের জন্য এই বিশেষ ব্যবস্থা। উপত্যকায় শহিদ জওয়ান বা পুলিশকর্মীদের পরিবারের জন্য এমন কোনও স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাঁচদিনে ৪০ হাজারবার সাইবার হানার চেষ্টা চালিয়েছে চিন, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ‘scholarship programme for orphans of slain militants’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন (Jammu & Kashmir)। ওই প্রকল্পের অন্তর্গত উপত্যকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত জঙ্গিদের সন্তানদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ দেওয়া হবে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, জঙ্গিদের পরিজনদের কথা মাথায় রাখলেও, শহিদদের পরিবারগুলির জন্য কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে, এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে কংগ্রেস। বিরোধী দলের অভিযোগ, ‘জাতীয়তাবাদ’ নিয়ে বড়াই করা বিজেপি শহিদদের অপমান করেছে। কীভাবে এহেন পদক্ষেপ করতে পারে কাশ্মীর প্রশাসন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা। পালটা বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করছে তারা।

Advertisement

উল্লেখ্য, অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপ, কাশ্মীর ও লাদাখকে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করেও জঙ্গি কার্যকলাপে রাশ টানা যাচ্ছে না। তবে সাফল্যও এসেছে সেনার হাতে। একের পর এক জঙ্গি নেতা নিকেশ হয়েছে জওয়ানদের পরাক্রমে। কাশ্মীরে লস্কর, হিজবুল ও জইশ-সহ ৪ জঙ্গি সংগঠনের প্রধানকেই গত ৪ মাসের মধ্যে খতম করা হয়েছে। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথাই জানিয়েছিলেন কাশ্মীর পুলিশের আইজি (IG) বিজয় কুমার। সেনা ও পুলিশের লাগাতার লাগাতার অভিযানেই এমনটা সম্ভব হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে, শুধুমাত্র রাজনীতির স্বার্থে শহিদদের পরিজন ও নিরাপত্তারক্ষীদের মনোবলে আঘাত উচিত নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

[আরও পড়ুন: পাঁচদিনে ৪০ হাজারবার সাইবার হানার চেষ্টা চালিয়েছে চিন, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.