ভঙ্গুর ঘাসফুল শিবিরে এবছর কীভাবে ২১ জুলাই পালিত হবে, তা নিয়ে বিস্তর জটিলতা তৈরি হয়েছে। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে শহিদ দিবস পালন করতে চেয়ে কলকাতা পুলিশকে চিঠি পাঠিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল, ‘আসল’ তৃণমূল – দু’পক্ষই। কার অনুমতি মেলে, এখন সেই অপেক্ষা। যদিও দু’পক্ষই ২১ জুলাই উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মাঝে দেখা গেল, কালীঘাট তৃণমূলের প্রস্তুতিতে বদল এসেছে। গত ১৩ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নানা অনুষ্ঠানে যে ডেকরেটর্স সমস্ত কাজ করত, তাদের কাছে এবার বরাতই গেল না! তাদের বদলে অন্য এক ডেকরেটর সংস্থার কর্মীদের নিয়ে রবিবার ঘটনাস্থল মাপার কাজ করতে দেখা গেল কুণাল ঘোষ, দোলা সেনদের।
রবিবার কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়রা ধর্মতলায় যেখানে ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে যান। মাপজোক করার কাজ চলছিল। তবে সঙ্গে অন্য কর্মীরা। তাঁরাই মাপামাপি করছেন। এনিয়ে কালীঘাট তৃণমূল মুখে কুলুপ আঁটলেও ডেকরেটর্স মালিক মন্টু সাহার বক্তব্য, ‘‘২১ জুলাইয়ের মঞ্চ বানানো নিয়ে কালীঘাট থেকে কোনও নেতৃত্ব আমাকে কিছু জানায়নি। আমরা এবার ওই মঞ্চের কাজ করছি না।”
আরও পড়ুন:

মন্টু সাহার মালিকানাধীন মডার্ন ডেকরেটর্স গত ২ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সমস্ত অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিল। তার আগে অবশ্য অন্য একটি ডেকরেটর্স এই কাজ করত। কিন্তু ২০২৪ সালে লোকভবনের (তৎকালীন রাজভবন) সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১০০ দিনের কাজের বকেয়া নিয়ে ধরনা মঞ্চ তৈরির সময় বৃষ্টির জল পড়া নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। এরপরই বাতিল করা হয় ওই সংস্থাকে। তারপর দলীয় অনুষ্ঠানে মঞ্চ বাঁধা থেকে মাইকের ব্যবস্থা – সব করতেন মন্টু সাহার কর্মীরা। কিন্তু ছাব্বিশে আচমকাই তাতে বদল। সূত্রের খবর, এবার ২১ জুলাই মঞ্চ প্রস্তুতির জন্য মন্টু সাহার কাছে কোনও খবরই পাঠানো হয়নি।
অর্থাৎ মডার্ন ডেকরেটর্স থেকে দূরত্ব বাড়াল কালীঘাট।
রবিবার দেখা গেল, কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়রা ধর্মতলায় যেখানে ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে গিয়েছেন। মাপজোক করার কাজ চলছিল। তবে সঙ্গে অন্য কর্মীরা। তাঁরাই মাপামাপি করছেন। এনিয়ে কালীঘাট তৃণমূল মুখে কুলুপ আঁটলেও ডেকরেটর্স মালিক মন্টু সাহার বক্তব্য, ‘‘২১ জুলাইয়ের মঞ্চ বানানো নিয়ে কালীঘাট থেকে কোনও নেতৃত্ব আমাকে কিছু জানায়নি। আমরা এবার ওই মঞ্চের কাজ করছি না।” সাধারণত জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পরে ২১ জুলাই অনুষ্ঠানস্থলের খুঁটি পুজো হয়ে থাকে। এবছর পুলিশ অনুমতি না দিলে সেই পুজো নিয়েও সংশয় থাকছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা
-
রাজসাক্ষী হতে চান! জমি দুর্নীতি মামলায় ইডি আদালতে আবেদন জয় কামদারের
-
বাড়ির প্রত্যেক সদস্যদের আলাদা আয়ুষ্মান কার্ড, আধার নম্বরেই মিলবে উপভোক্তার তথ্য
-
দেবরাজের ‘দাদাগিরি’র নয়া হদিশ! দাবিমতো কোটি টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ মামলায় চার্জশিট