Jharkhand

সরকারি হাসপাতাল বলল, ভ্রূণ মৃত! নার্সিংহোমে সুস্থ সন্তান প্রসব সেই মহিলারই, তুঙ্গে বিতর্ক

সরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ প্রশাসনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২৫, ১৮:০৭

options
link
সরকারি হাসপাতাল বলল, ভ্রূণ মৃত! নার্সিংহোমে সুস্থ সন্তান প্রসব সেই মহিলারই, তুঙ্গে বিতর্ক
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা প্রকাশ্যে। গর্ভেই ভ্রূণ মারা গিয়েছে, এমন দাবি করে প্রসূতিকে ভর্তিই নিলেন না নার্সরা! এদিকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি করা হলে এক পুত্র সন্তানের জন্য দেন ওই মহিলাই। ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ শেখ ভিখারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ প্রশাসনের। 

Advertisement

সদ্যোজাতর মা মণীশা দেবীর স্বামীর অভিযোগ, “১২০ কিলোমিটার দূর থেকে এসে শেখ ভিখারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্ত্রীকে ভর্তি করি। হাসপাতালে ভর্তি না নিয়ে নার্সরা বলে প্রসূতির রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ করে গিয়েছে। পাশাপাশি ভ্রূণটি গর্ভেই মারা গিয়েছে।” এদিকে সরকারি হাসপাতালের নার্সদের কথা বিশ্বাস না করে স্ত্রীকে একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করেন বিনোদ সাউ। সেখানেই একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন মণীশা। এই ঘটনার পর নাসিংহোমের চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিনোদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুক্রবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাজারীবাগের ডেপুটি কমিশনার প্রকাশ সিং। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষকে উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য সরকারি হাসপাতালে সমস্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

এদিকে মণীশা যে নার্সিংহোমে সন্তান প্রসব করেছেন, সেই নার্সিংহোমের কর্ণধার বলেন, “আমাদের এখানে ভর্তি করার পর মণীশা পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বর্তমানে মা ও সন্তান দু’জনেই সুস্থ রয়েছেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.