Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬
Chandrima Bhattacharya

ভবন দখলের ‘ষড়যন্ত্রে’ শামিল চন্দ্রিমা! আনুগত্য নিয়ে মমতার প্রশ্নে রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা

রাজ্য সভাপতি-সহ একাধিক পদে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দীর্ঘদিনের 'সহযোদ্ধা'র এই সিদ্ধান্তে আরও নিঃসঙ্গ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৪:৩১

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৪:৩১

options
link
ভবন দখলের ‘ষড়যন্ত্রে’ শামিল চন্দ্রিমা! আনুগত্য নিয়ে মমতার প্রশ্নে রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা zoom
তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ফাইল ছবি

মেট্রোপলিটানের ভবন দখল নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ বনাম ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র জোর দড়ি টানাটানি। সেই ‘ষড়যন্ত্রে’ দীর্ঘদিনের সৈনিক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya) যুক্ত বলেই সন্দেহপ্রকাশ করেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই ‘অভিমানে’ তৃণমূলের সমস্ত পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। রাজ্য সভাপতি-সহ একাধিক পদে ছিলেন তিনি। তৃণমূলের অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি চন্দ্রিমা। দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধার এই সিদ্ধান্তে আরও নিঃসঙ্গ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

Chandrima-letter
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের লেখা চিঠি

চন্দ্রিমা জানান, “আমি জন্মলগ্নে ছিলাম না। দীর্ঘদিনের সৈনিক হিসাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। সংগঠনকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। গত ৩ জুন কালীঘাটের বৈঠকে এই রাজ্যের সভানেত্রী হিসাবে নিযুক্ত করেন। আমি সেদিন থেকে একটি দিনও হয়নি যেদিন আমি মেট্রোপলিটানের অফিসে যাইনি। গত ২২ জুন এবং ১ জুলাই ছাড়া রোজ গিয়েছি। আমার সহকর্মীরা স্বীকার করবেন সেকথা।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর ‘ঋত-তৃণমূলে’র মেট্রোপলিটানের ভবন দখলের প্রসঙ্গ টেনে চন্দ্রিমা আরও জানান,  “শুক্রবার একটা ঘটনা হয়েছে যা সকলের জানা। বেশ কয়েকজন বিধায়ক গিয়েছিলেন। আমি যতক্ষণ ছিলাম ওই বিধায়করা আমার সঙ্গে কথা বলেননি। আমি বাড়ি চলে আসার পর মমতাদি ফোন করতে বলেন। ফোন করলে বলেন, তুমি ওদের হাতে ভবন তুলে দিলে? আমার এত দুঃখ হয়েছে। আমি বললাম, দিদি আপনি আমাকে এই কথা বলতে পারলেন? সেই কারণে আমি মনে করলাম আমার আনুগত্যে প্রশ্নচিহ্নে থেকে যাচ্ছে। আমি মনে করি এই পরিস্থিতিতে আর আমার কাজ করা উচিত নয়। আমি অনেক সময় অনেকের প্রতি কঠিন হয়েছি। কিন্তু আনুগত্যে কোনও খামতি নেই। বেদনাহত মন নিয়ে আমি ছেড়ে দিলাম।” কালীঘাটে আর যাওয়ার প্রশ্নই আসে না বলেও জানান ‘অভিমানী’ চন্দ্রিমা।

বলে রাখা ভালো, চন্দ্রিমা ছিলেন মমতার ছায়াসঙ্গী। গত ২০১১ সালে উত্তর দমদমের বিধায়ক হন। গত ২০১৬ সালে বিধানসভা ভোটে পরাজিত হন তিনি। ২০১৭ সালে দক্ষিণ কাঁথি থেকে ভোটে জেতেন। ২০২১ সালে দক্ষিণ দমদম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়েন। জয়ীও হন। ২০২৬ সালে গেরুয়া ঝড়ে পর্যুদস্ত হন চন্দ্রিমা। দীর্ঘ রাজনৈতিক কেরিয়ারে স্বাস্থ্য, অর্থ, আইন, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রিত্ব সামলেছেন। ভোটে ভরাডুবির পরেও কালীঘাটের একাধিক বৈঠকে দেখা গিয়েছে চন্দ্রিমাকে। সম্প্রতি নিউটাউনের হোটেলে তৃণমূল বিধায়ক-কাউন্সিলরের বৈঠকে চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভকে দেখা গিয়েছিল। তা নিয়ে চাপানউতোর হয়েছে যথেষ্ট। তারপরই চন্দ্রিমার এই সিদ্ধান্ত যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.