JMB terror network

ধর্মের নামে উগ্রপন্থার প্রচার! বাংলা-অসম-ত্রিপুরায় জেএমবির বড় ষড়যন্ত্র ফাঁস, চার্জশিট দিল এনআইএ

অভিযুক্তরা গোপন বৈঠকের আয়োজন, ধর্মীয় মতাদর্শের নামে উগ্রপন্থার প্রচার, জঙ্গিবাদী সাহিত্যপত্র বিতরণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজ চালাত।

Advertisement
প্রণব সরকার
প্রণব সরকার

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৪:০২

options
link
ধর্মের নামে উগ্রপন্থার প্রচার! বাংলা-অসম-ত্রিপুরায় জেএমবির বড় ষড়যন্ত্র ফাঁস, চার্জশিট দিল এনআইএ
প্রতীকী ছবি।

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ অর্থাৎ জেএমবি’র একটি শাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ লাগোয়া ৩ রাজ্য অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ এবং সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতে জঙ্গি নেটওয়ার্ক বিস্তারের ষড়যন্ত্র! অপারেশন প্রঘাতে’ গ্রেপ্তার হওয়া ১১ জন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করল এনআইএ। গুয়াহাটির এনআইএ বিশেষ আদালতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) ২০২৩ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।

Advertisement

এনআইএর তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা ইমাম মাহমুদের কাফিলা অর্থাৎ আইএমকে নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জেএমবির শীর্ষ সদস্য ইমাম মাহমুদ হাবিবুল্লাহ ভারতে নিষিদ্ধ সংগঠনটির কার্যকলাপ সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে এই শাখা সংগঠনটি গড়ে তোলে। এনআইএ-র অভিযোগ, আইএমকের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যে জেএমবির জিহাদি মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বিশেষ করে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ও সহজে প্রভাবিত হতে পারে এমন যুবকদের উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধ করা, সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তার এবং ভারতবিরোধী প্রচার চালানো ছিল এই চক্রের মূল লক্ষ্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা গোপন বৈঠকের আয়োজন, ধর্মীয় মতাদর্শের নামে উগ্রপন্থার প্রচার, জঙ্গিবাদী সাহিত্যপত্র বিতরণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজ চালাত। পাশাপাশি, আইএমকে ও জেএমবির নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য গড়ে তুলতেও তারা সক্রিয় ছিল বলে এনআইএ দাবি করেছে।

Advertisement

চার্জশিটে নাম থাকা অভিযুক্তদের মধ্যে নাসিমুদ্দিনকে আসামে আইএমকে-র কার্যকলাপের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছে এনআইএ। অন্যদিকে, জগীর মিয়াকে ত্রিপুরায় সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার করেছে এনআইএ। সংস্থার দাবি, উদ্ধার হওয়া নথিতে অভিযুক্তদের জঙ্গি ষড়যন্ত্র, সদস্য সংগ্রহ এবং উগ্রপন্থী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন