FCRA Amendment Bill

বিতর্কিত এফসিআরএ বিলের যৌথ সংসদীয় কমিটির রাশ বিজেপির হাতেই, আদৌ গুরুত্ব পাবে বিরোধীরা?

এ বছর ২৫ মার্চ সংসদে বিলটি পেশ হলেও সেটি নিয়ে এখনও কোনওরকম আলোচনা হয়নি। আসলে বিলটি সংসদে পেশ হওয়ার পর থেকেই সেটির কয়েকটি ধারা নিয়ে জোরালো আপত্তি তুলেছে বিরোধী দলগুলি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১৩:২৩

options
link
বিতর্কিত এফসিআরএ বিলের যৌথ সংসদীয় কমিটির রাশ বিজেপির হাতেই, আদৌ গুরুত্ব পাবে বিরোধীরা?
ফাইল ছবি।

প্রত্যাশিতভাবেই বিতর্কিত বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল পর্যালোচনার জন্য গঠিত সংসদীয় কমিটিতে প্রাধান্য পেলেন কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদরা। কমিটির শীর্ষপদেই বিজেপি সাংসদ। সদস্যসংখ্যার নিরিখেও শাসক শিবিরের তুলনায় বিরোধী শিবির নগণ্য। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, আদৌ ওই বিলের ক্ষেত্রে বিরোধীদের মতামত গুরুত্ব পাবে তো?

Advertisement

বৃহস্পতিবার লোকসভা সচিবালয়ের তরফে এফসিআরএ বিলের ৩১ সদস্যের যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠিত হয়েছে। তাতে নিয়ম মতো লোকসভার ১১ জন সদস্য রয়েছেন। রাজ্যসভার সদস্য রয়েছেন ১০ জন। কমিটির শীর্ষপদে বসানো হয়েছে বিহারের পশ্চিম চম্পারণের লোকসভার সাংসদ সঞ্জয় জয়সওয়ালকে। মোট ৩১ সদস্যের ওই কমিটিতে ১৪ জনই বিজেপির। কংগ্রেসের মাত্র ৫ জন। জেডিইউ, তৃণমূল, ডিএমকে থেকে দু’জন করে সদস্য রয়েছেন। একজন করে সদস্য রয়েছেন সমাজবাদী পার্টি, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ, শিব সেনা, এনসিপি, এনসিপি (শরদ পওয়ার) এবং টিডিপি থেকে। এমনিতে জেপিসির নয়ম অনুযায়ী সংসদের সদস্য সংখ্যার নিরিখেই এই কমিটিগুলিতে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়। ফলে এখানে নিয়ম ভাঙা হয়নি বলেই খবর সরকারি সূত্রের। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চেয়ারম্যান জয়সওয়াল ছাড়াও বিজেপির পরিচিত মুখের মধ্যে নিশিকান্ত দুবে, তেজস্বী সূর্যরা এই কমিটিতে রয়েছেন। কংগ্রেসের তরফে রয়েছেন অ্যান্তো অন্টনি, কালীচরণ মুণ্ডা, ভিরিয়াতো ফার্নান্ডেজ। তৃণমূলের তরফে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মেনকা গুরুস্বামী ওই কমিটিতে রয়েছেন। তবে সমস্যা হল অতীতে ওয়াকফ বিলও যৌথ সংসদীয় কমিটি গড়া হয়েছিল, তাতে বিরোধীদের মতামত গুরুত্ব পায়নি। এবারও সংখ্যায় কম বিরোধীরা আদৌ গুরুত্ব পাবে কিনা, সংশয় থাকছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, এ বছর ২৫ মার্চ সংসদে বিলটি পেশ হলেও সেটি নিয়ে এখনও কোনওরকম আলোচনা হয়নি। আসলে বিলটি সংসদে পেশ হওয়ার পর থেকেই সেটির কয়েকটি ধারা নিয়ে জোরালো আপত্তি তুলেছে বিরোধী দলগুলি। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, কোনও সংস্থা বা ব্যক্তি যদি বিদেশি অনুদান গ্রহণের অনুমতি (লাইসেন্স) হারায়, তবে তাদের তৈরি সম্পত্তি– স্কুল, হাসপাতাল কিংবা উপাসনালয় একটি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে চলে যেতে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, এই প্রক্রিয়াটি হবে প্রায় স্বয়ংক্রিয়, কোনও বিচারকের পর্যালোচনা ছাড়াই। সেটিই বিরোধীদের মূল আপত্তির জায়গা। গত ১২ আগস্ট বিলটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.