কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে দড়ি টানাটানিতে অবশেষে দাঁড়ি পড়তে চলেছে! সূত্রের খবর, আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৬ মে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে তলব করেছে হাইকমান্ড। শোনা যাচ্ছে, রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে রদবদল সংক্রান্ত বিষয়ে হাইভোল্টেজ আলোচনায় বসতে চলেছেন শীর্ষ নেতারা। এদিকে এই খবর সামনে আসতেই কর্নাটকের নানা জায়গায় উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের সমর্থনে পোস্টার পড়েছে।
আরও পড়ুন:
কর্নাটকের কুর্সি কোন্দলের মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছিলেন, হাইকমান্ড ডাকলেই তিনি দিল্লিতে যাবেন। শিবকুমারও জানিয়েছিলেন, হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে উভয় নেতাই তা মেনে চলবেন। এই অবস্থায় দিল্লির বৈঠককে ঘিরে রাজনীতির পারদ চড়তে শুরু করেছে। এদিকে কর্নাটকে নেতৃত্ব পরিবর্তনের জল্পনা যখন মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে সেই সময় মহীশুরে শিবকুমারের জন্মদিনের অনুষ্ঠান পালন করেছেন তাঁর সমর্থকরা। সেখানে ‘নেক্সট সিএম ডিকে বস’ নাম লেখা বিশেষ কেক কাটা হয়েছে। বেঙ্গালুরু থেকে বেলগাভি পর্যন্ত শিবকুমারকে ‘হবু মুখ্যমন্ত্রী’ বলে উল্লেখ করে বিরাট বিরাট পোস্টার ও কাটআউট লাগানো হয়েছে।
২৬ মে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে তলব করেছে হাইকমান্ড। শোনা যাচ্ছে, রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে রদবদল সংক্রান্ত বিষয়ে হাইভোল্টেজ আলোচনায় বসতে চলেছেন শীর্ষ নেতারা।
উল্লেখ্য, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও জানা যায় কর্নাটকে কংগ্রেস সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের মধ্যে এক সমঝোতা হয়েছিল। যেখানে নাকি বলা হয়েছিল, সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের মধ্যে ২.৫ বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদ ভাগাভাগি হবে। তবে ৩ বছরেও সে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। যার জেরে গত ৬ মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী বদলের জন্য ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে আসেন শিবকুমারের সমর্থকরা। গত নভেম্বর মাসে শিবকুমার প্রকাশ্যে নিজের দাবি জানালে উত্তেজনা চরম আকার নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামতে হয় খোদ রাহুল গান্ধীকে। এই অবস্থায় মঙ্গলবারের এই বৈঠক নিয়ে কর্নাটকে রাজনৈতিক জল্পনা চরম আকার নিয়েছে।
কংগ্রেস সূত্রে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার দিল্লির এই বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাহুল গান্ধীর মতো শীর্ষ নেতারা যোগ দিতে পারেন। এই বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করা হবে। রাজ্যে মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে, উভয় পক্ষের বিধায়কদের সন্তুষ্ট রাখার জন্য বেশ কয়েকজন বর্তমান মন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে এবং নতুন ও তরুণ মুখদের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বসিরহাটে দ্রুত উপনির্বাচনের দাবি বিজেপির, শুরু প্রস্তুতিও
-
শেষ মুহূর্তে গোল বাতিলে ঝুলে ইরানের ভাগ্য, নকআউটে মিশর-বেলজিয়াম, শেষ ৩২-এ আর কারা?
-
নিরাপদ নয় পাটুলি! ২ দিন রাস্তায় হেনস্থার শিকার হয়ে থানায় অভিযোগ অভিনেত্রী রূপার, ওগরালেন ক্ষোভ
-
নবম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে ‘জরুরি অবস্থা’, গণতন্ত্রের পাঠ পাবে পড়ুয়ারা
-
তারাতলার অভিশপ্ত গোডাউন কাড়ল ৩ ভাইকে! ঘি-মন্নুর পর মৃত্যু শিরচাঁদেরও, মোবাইলই চিনিয়ে দিল দেহ