Khan Sir Coaching Centre

খান স্যারকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল আদালত, কোচিং সেন্টারে গুলিকাণ্ডে স্বস্তিতে ইউটিউবার

গোটা ঘটনার সূত্রপাত গত ২ জুন। পাটনার মুসল্লাহপুর হাট এলাকায় খান স্যরের কোচিং সেন্টারের বাইরে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, অশান্তির সময়ে সেখানে গুলি চলে এবং আহত হন এক নিরাপত্তারক্ষী। বিষয়টি সামনে আসতেই শয়ে শয়ে পড়ুয়া রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৭:২৪

options
link
খান স্যারকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল আদালত, কোচিং সেন্টারে গুলিকাণ্ডে স্বস্তিতে ইউটিউবার
ইউটিউবার খান স্যার। ছবি: সংগৃহীত।

কোচিং সেন্টারে গুলিকাণ্ডে খান স্যারকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিল পাটনার জেলা আদালত। তাই আপাতত স্বস্তিতে ইউটিবার। মঙ্গলবার আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এখনই তাঁকে গ্রেপ্তার করা যাবে না।

Advertisement

গ্রেপ্তারি রুখতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন খান স্যার। আগাম জামিনের আবেদন করেন তিনি। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয় পাটনার জেলা আদালতে। এরপরই খান স্যারকে রক্ষাকবচ দেয় আদালত। তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ইউটিউবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, খান স্যারকেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। কিন্তু তাঁকে গ্রেপ্তার বা তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। একইসঙ্গে ঘটনার কেস ডায়েরি এবং তথ্যপ্রমাণ আদালতে পেশ করারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Advertisement

গোটা ঘটনার সূত্রপাত গত ২ জুন। পাটনার মুসল্লাহপুর হাট এলাকায় খান স্যরের কোচিং সেন্টারের বাইরে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, অশান্তির সময়ে সেখানে গুলি চলে এবং আহত হন এক নিরাপত্তারক্ষী। বিষয়টি সামনে আসতেই শয়ে শয়ে পড়ুয়া রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শুরুতে খান স্যরের দাবি ছিল, তাঁর কোচিং সেন্টারের হামলার নেপথ্যে রয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং সেন্টারগুলি। যেহেতু তিনি কম খরচে ছাত্র পড়ান তাই কোচিং মাফিয়ারা তাঁর সেন্টার বন্ধ করতে চায়।

Advertisement

ঘটনার তদন্তে নেমে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তাঁরা জানায়, খান স্যরের নির্দেশেই সংঘর্ষের সময় তাঁদের পক্ষ থেকেও গুলি চালানো হয়েছিল। এরপর গত ৫ জুন খান স্যরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। পুলিশ জানায়, এই ঘটনায় খান স্যারের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, প্রয়োজনে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে গত শনিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। মঙ্গলবার খান স্যারকে স্বস্তি দিয়ে রক্ষাকবচ দিল আদালত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.