সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৭১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল লালকেল্লা-সহ গোটা এলাকা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। তাল কাটল একেবারে শেষলগ্নে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ চলাকালীন মঞ্চের নিচে উড়ে এসে পড়ল একটি ঘুড়ি।
[স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে এ কী করলেন বিজেপি নেতা!]
জন্মাষ্টমী ও স্বাধীনতা দিবস। পরপর দু’দিনে দুটি অনুষ্ঠান। দিল্লি শহরের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ সতর্ক ছিল পুলিশ। আর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য লালকেল্লা-সহ গোটা এলাকা কার্যত দুর্গে পরিণত হয়েছিল। রাজধানীর এই ঐতিহাসিক মোঘল স্থাপত্যের চারিদিকে দিল্লি পুলিশের নয় হাজারেরও বেশি কর্মী-সহ মোতায়েন ছিল কয়েক হাজার নিরাপত্তাকর্মী। লালকেল্লামুখী সবকটি রাস্তায় ছিল পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী। সিসিটিভি তো ছিলই, আকাশপথেও চলছিল কড়া নজরদারি। অনুমতি ছা়ড়া অনুষ্ঠানস্থলের দিকে যেতে দেওয়া হচ্ছিল না কাউকেই। এমনই কড়া নিরাপত্তায় নির্দিষ্ট সময়েই লালকেল্লায় শুরু ৭১তম স্বাধীনতার দিবসের অনুষ্ঠান। পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর শুরু হয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ। এপর্যন্ত সব ঠিকঠাকই চলছিল। প্রধানমন্ত্রী ভাষণ তখন প্রায় শেষের মুখে, আচমকাই মঞ্চের একেবারে নিচে উড়ে এসে পড়ে কালো রঙের একটি ঘুড়ি। তাতে অবশ্য মোদির ভাষণে কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি। তিনি ভাষণ চালিয়ে যান। বস্তুত, গোটা অনুষ্ঠানটি নির্বিঘ্নে্ই শেষ হয়। তবে নিরীহ একটি ঘুড়ি উড়ে এসেছিল ঠিকই। তবে সেটা বোমা বা অন্য কিছুও তো হতে পারত। আর সেক্ষেত্রে কী হত, তা ভেবেই শিউরে উঠছেন অনেকে।
[হায় স্বাধীনতা! উদযাপন শেষে বাড়ি ফেরার পথেই ধর্ষিতা কিশোরী]
সর্বশেষ খবর
-
অভিষেকের বিশ্বরেকর্ডের পর দুরন্ত বোলাররাও! আফগানিস্তানকে ‘চুনকাম’ করল ভারত
-
তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে লড়াইয়ে থাকছে না ‘ঘাসফুল’
-
এবার পাকিস্তানে লকডাউন! করোনা নয়, নতুন ‘বিপর্যয়’ পড়শি দেশে
-
জঙ্গলমহলে শেষ ‘মাওবাদ’ অধ্যায়, আকাশের গ্রেপ্তারিতে ৪০ বছরের জঙ্গলযুদ্ধে ইতি
-
পুজোর আগে রোজভ্যালি আমানতকারীদের জন্য সুখবর! ৬ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে বলল হাই কোর্ট