উপনির্বাচনের আগেই ঝরে গেল ঘাসফুল! দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে অন্য প্রতীকে লড়তে হবে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের। কমিশনের নির্দেশ, ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই। ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে কী নাম এবং প্রতীক করতে চায় দুই পক্ষ, শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে তা জানাতে হবে কমিশনকে। দুই শিবিরের বাছাই করা নাম-প্রতীক বাছাইয়ের পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনের কমিশনের নির্দেশিকা ‘বেআইনি’ বলে উল্লেখ করে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই অর্ডার আমরা মানছি না। কারণ এই রায়ের মধ্যে আইনগত অনেক বা ফাঁক রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এবার যা করার, আমরা করব। আমরা এই অর্ডার গ্রহণ করছি না।” প্রতীক ‘ফ্রিজ’ প্রসঙ্গে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামান নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “হাতে সময় কম থাকায় তড়িঘড়ি নির্দেশ দিতে হয়েছে কমিশনকে। তবে মামলার শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক আমাদের কাছেই থাকবে বলে আমি বিশ্বাসী।”
নির্বাচনের কমিশনের নির্দেশিকা ‘বেআইনি’ বলে উল্লেখ করে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই অর্ডার আমরা মানছি না। কারণ এই রায়ের মধ্যে আইনগত অনেক বা ফাঁক রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এবার যা করার, আমরা করব। আমরা এই অর্ডার গ্রহণ করছি না।” তৃণমূলের ঋতব্রত-শিবিরকে তোপ দেগে কল্যাণ আরও বলেন, “আমরা যেমন নাম প্রতীক পেলাম না, বিদ্রোহী শিবিরও সেটা পেল না। ফলে ঘাসফুল প্রতীক ওদের, দল ওদের, নাম ওদের এইসব দাবি যারা করছিল, তাদের হাতেও কিছু থাকল না। তবে নতুন নাম বা প্রতীক মানুষকে চেনাতে সমস্যা হবে এটা ঠিকই। তবে সেই কাজটা আমাদের করতেই হবে”। প্রতীক ‘ফ্রিজ’ প্রসঙ্গে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক আখরুজ্জামান নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “হাতে সময় কম থাকায় তড়িঘড়ি নির্দেশ দিতে হয়েছে কমিশনকে। তবে মামলার শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক আমাদের কাছেই থাকবে বলে আমি বিশ্বাসী।”
বৃহস্পতিবার বেলা ৩টেয় ঋতব্রত শিবির এবং বিকেল ৪টের সময় মমতা তৃণমূলের প্রতিনিধিদের তলব করে নির্বাচন। দুই শিবিরের কাছ থেকেই কিছু নথি এবং তাঁদের চূড়ান্ত যুক্তি শুনতে চায় কমিশন। শনিবার কালীঘাট এবং ঋতব্রত দুই তৃণমূলের বক্তব্যই শুনেছে কমিশন। শনিবার দুই শিবিরের সঙ্গে প্রাথমিক বৈঠকের পর ঋতব্রত শিবিরকে নিজেদের বক্তব্যের স্বপক্ষে কিছু নথি জমা দিতে বলেন জ্ঞানেশ কুমাররা। সেই নথির ভিত্তিতেই লক্ষ্মীবার ফের তাঁদের তলব করা হয়। আর এই বৈঠকের পর অন্তর্বতী নির্দেশ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।
কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, এমন সম্ভাবনাই জোরালো হচ্ছিল। সম্ভাবনা ছিল অন্তর্বর্তী নির্দেশে ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীকটিই ফ্রিজ করে দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে কোনও শিবিরই প্রতীক পাবে না। দুই শিবিরকেই আলাদা দল গড়ে বা ‘নির্দল’ হিসাবে লড়তে হবে। আর সেই সম্ভাবনাই সত্যি করে নির্বাচন কমিশনের জানিয়ে দিল, জোড়াফুলের প্রতীক ও নাম ব্যবহার করে কেউ-ই ভোটে লড়তে পারবে না। অর্থাৎ দুই দলকেই নির্বাচনী লড়াইয়ে ময়দানে নামতে হবে ভিন্ন নাম ও প্রতীকে। নির্বাচন কমিশনের তালিকাভুক্ত ১৮৪ টি প্রতীক চিহ্নের মধ্যে থেকে যে কোনও তিনটি নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে কালই দু’পক্ষকে জানাতে হবে। সেখানে থেকে দুই শিবিরের জন্যই একটি করে প্রতীক চিহ্ন ও নাম চূড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন।
সর্বশেষ খবর
-
অভিষেকের বিশ্বরেকর্ডের পর দুরন্ত বোলাররাও! আফগানিস্তানকে ‘চুনকাম’ করল ভারত
-
এবার পাকিস্তানে লকডাউন! করোনা নয়, নতুন ‘বিপর্যয়’ পড়শি দেশে
-
জঙ্গলমহলে শেষ ‘মাওবাদ’ অধ্যায়, আকাশের গ্রেপ্তারিতে ৪০ বছরের জঙ্গলযুদ্ধে ইতি
-
পুজোর আগে রোজভ্যালি আমানতকারীদের জন্য সুখবর! ৬ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে বলল হাই কোর্ট
-
মেয়ের শিক্ষিকাকে যৌন হেনস্তা! অভিযুক্ত আইনজীবী, গ্রেপ্তারির দাবিতে বাড়ির সামনে বিক্ষোভ