ভারত: ২২১/ ৭ (অভিষেক শর্মা ১০৮, সঞ্জু ৫০, ওমরাজাই ২৭/২)
আফগানিস্তান: ৯৪/১০ (জাদরান ২৫, নীতিশকুমার রেড্ডি ২৫/৩, রবি বিষ্ণোই ২৬/৩)
আরও পড়ুন:
ফলাফল: ভারত ১২৭ রানে জয়ী।
প্রত্যাশা যা ছিল তাই হল। অভিষেক শর্মার দুরন্ত শতরানের দৌলতে ভারতের তোলা বিরাট স্কোরের সামনে দাঁড়াতেই পারল না আফগানিস্তান। ফলে সিরিজের তৃতীয় টি২০ ম্যাচটিতেও অনায়াসে জিতে সিরিজ ৩-০-তে পকেটে পুরল ভারত।
এদিনের ম্যাচের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নিঃসন্দেহে অভিষেক শর্মার দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। মাত্র তিরিশ বলে তিন অঙ্কের স্কোরে পৌঁছে তিনি গড়লেন বিশ্বরেকর্ড। এটাই ক্রিকেটের হ্রস্বতম সংস্করণে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের প্রতিনিধি হিসেবে দ্রুততম শতরানের নজির। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩২ বলে ৮২ রান করেছিলেন তিনি। এদিনের ইনিংসে ৩৪ বলে করলেন ১০৮। ৯টি বাউন্ডারির পাশাপাশি মারলেন ১১টি ছক্কা। আফগান বোলারদের পাড়ার বোলারে পরিণত করে টিম ইন্ডিয়ার বাঁহাতি তারকা যে খেলা এদিন খেললেন তার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।

আজ শুরু থেকেই ঝড় তোলেন তিনি। সঙ্গী সঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে মাত্র ছ’ওভারেই ভারত তোলে একশো রান। তখনই বোঝা গিয়েছিল আজ রানের মহোৎসব হতে চলেছে। তবে শতরানের পর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকা হয়নি অভিষেকের। যখন আউট হলেন, তখন ভারতের রান ছিল ৯.৫ ওভারে ১৪২। মনে হচ্ছিল ভারতের রান ‘আরামসে’ আড়াইশো পেরিয়ে যাবে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। তিনি আউট হতেই ভারতের রানের ‘পারদ পতন’ ঘটে। তিলক বর্মা (২), শ্রেয়স আইয়ার (২৯), শিবম দুবে (১০), ঈশান কিষানরা (১০) ব্যর্থ হলেন। ভারত থামে ৭ উইকেটে ২২১ রানে। মিডল অর্ডারের এমন ব্যর্থতা চিন্তায় রাখবে টিম ইন্ডিয়াকে।
তবে এই রানের সামনে যে আফগানরা লড়তে পারবেন না সেটা মোটামুটি জানাই ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমনই দাঁড়াল তিন অঙ্কের স্কোরই করতে পারলেন না আফগানরা। অভিষেকের একার স্কোরের চেয়েও ১৪ রান কম করলেন তাঁরা। তবে ‘কাবুলিওয়ালার দেশে’র শুরুটা কিন্তু বেশ ভালো ছিল। প্রথম তিন ওভারেও তিরিশ রান উঠে যায় স্কোরবোর্ডে। এরপরই অক্ষরকে আনা হল আক্রমণে। গুরবাজ সুইপ করতে গিয়ে প্রথম বলেই বোল্ড (১৫)। ওভারের শেষ বলে অক্ষর ফেরালেন সাদিকুল্লাকেও (১)। প্রথম ওভারে তিনি ২ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে আফগানদের ‘কফিনে শেষ পেরেক’ পুঁতে দেন। আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ করেছেন অধিনায়ক জাদরান। দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছতে পারেননি ৭ জন! ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট পেলেন নীতিশকুমার রেড্ডি (২৫/৩) ও রবি বিষ্ণোই (২৬/৩)। একটি করে উইকেট পান বুমরাহ ও যশ ঠাকুর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভোটের লড়াইয়ে ‘জোড়াফুল’ অতীত! ‘আপেল’ না ‘এসি’, কোন প্রতীকে লড়বে তৃণমূল?
-
তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করল কমিশন, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে লড়াইয়ে থাকছে না ‘ঘাসফুল’
-
এবার পাকিস্তানে লকডাউন! করোনা নয়, নতুন ‘বিপর্যয়’ পড়শি দেশে
-
জঙ্গলমহলে শেষ ‘মাওবাদ’ অধ্যায়, আকাশের গ্রেপ্তারিতে ৪০ বছরের জঙ্গলযুদ্ধে ইতি
-
পুজোর আগে রোজভ্যালি আমানতকারীদের জন্য সুখবর! ৬ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে বলল হাই কোর্ট