Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Mamata and Ritabrata camps will use which symbols in By-election

ভোটের লড়াইয়ে ‘জোড়াফুল’ অতীত! ‘আপেল’ না ‘এসি’, কোন প্রতীকে লড়বে তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে কোন প্রতীকে লড়বে মমতা ও ঋতব্রত শিবির? তা ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।

নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ০০:১১

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ০০:১১

options
link
ভোটের লড়াইয়ে ‘জোড়াফুল’ অতীত! ‘আপেল’ না ‘এসি’, কোন প্রতীকে লড়বে তৃণমূল? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ঝরেছে ঘাসফুল। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীই হারিয়েছে দলের পরিচিত নাম ও প্রতীক।এখন নজর নির্বাচন কমিশনের ১৮৪টি মুক্ত প্রতীকের তালিকায়। সেই তালিকায় রয়েছে এসি, আলমারি, আপেল, চুড়ি, দূরবীন, কম্পিউটার, সিসিটিভি, ব্যাটারি টর্চ, কেক, বিস্কুট, ক্যাপসিকাম, বাইনোকুলার থেকে কোট, কানের দুল—নানা বিচিত্র প্রতীক।

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই নিজেদের পছন্দের আলাদা নামের সঙ্গে এই মুক্ত প্রতীকগুলির তালিকা থেকে প্রতীক বেছে নিতে হবে। অর্থাৎ যে ‘জোড়াফুল’ এত দিন তৃণমূলের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত, উপনির্বাচনে তার বদলে ভোটারদের সামনে আসতে পারে সম্পূর্ণ অপরিচিত কোনও চিহ্ন। এখন প্রশ্ন হল, কালীঘাট শিবির কোন তিনটি প্রতীক কমিশনের কাছে চাইবে? বিদ্রোহী ঋতব্রত শিবিরই বা বেছে নেবে কোন তিন চিহ্ন? কারণ প্রতীক শুধু ব্যালটের চিহ্ন নয়, প্রচারের ভাষা এবং ভোটারকে নিজের প্রার্থী চিনিয়ে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমও। ফলে ১৮৪ প্রতীকের তালিকা ঘিরেই এখন দুই শিবিরে নতুন রাজনৈতিক অঙ্ক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মমতার দলীয় অন্দরে শোনা যায়, ২৮ বছর আগে ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্নে, এই ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক এঁকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। দল দু’ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়ার পর এই প্রতীক নিয়ে ঋতব্রত বনাম কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টানটান লড়াই চলছিল। বৃহস্পতিবার সেই প্রতীক-যুদ্ধের যবনিকা পতন করল নির্বাচন কমিশন। দল কার, দলের তহবিল কার হাতে থাকা উচিত, এই সমস্ত প্রশ্ন উঠে এসেছে এই প্রতীক ও নাম যুদ্ধের হাত ধরে। আপাতত কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে কারও নয় জোড়াফুল।

এ প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনেক সময় বেআইনি নির্দেশও আমাদের সাময়িকভাবে মেনে নিতে হয়। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তও তেমনই। নতুন নাম বা প্রতীক মানুষকে চেনাতে সমস্যা হবে এটা ঠিকই। তবে সেই কাজটা আমাদের করতেই হবে।” নতুন প্রতীক কী হতে পারে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছেন, “কাল সকাল ১১টা পর্যন্ত সময় আছে। তার মধ্যেই ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেব।”  উপনির্বাচনের আগে জোড়াফুলের দুই শিবিরের লড়াই গড়াল প্রতীকের লড়াইয়ে। ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনের আগে তাই কৌতূহল—তৃণমূলের ভোটের মাঠে এ বার দেখা যাবে কোন চিহ্ন?

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.