Lok Sabha 2024

লোকসানে চলা ৩৩ সংস্থা কিনেছে ৫৭৬ কোটির নির্বাচনী বন্ড, ৭৫ শতাংশই বিজেপির তহবিলে

ওই সংস্থাগুলির অস্তিত্ব নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৪, ১০:২৬

options
link
লোকসানে চলা ৩৩ সংস্থা কিনেছে ৫৭৬ কোটির নির্বাচনী বন্ড, ৭৫ শতাংশই বিজেপির তহবিলে
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের মুখে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ‌্য প্রকাশ করেছে স্টেট ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)। সেই তথ‌্য নির্বাচন কমিশন নিজেদের ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়ার পরেই, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে হইচই পড়ে গিয়েছে। কোন কর্পোরেট সংস্থা কোনও রাজনৈতিক দলকে কত টাকার বন্ড দিয়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে। তেমনই সেই তালিকা বিশ্লেষণ করে চমকপ্রদ তথ‌্য সামনে এনেছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্র। তাদের দাবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চাঁদা অন্তত ৪৫টি কর্পোরেট সংস্থার বার্ষিক হিসাব খতিয়ে দেখতে গিয়ে তারা দেখেছে যে, সংস্থাগুলির বার্ষিক হিসাব এবং তাদের নির্বাচনী বন্ড কেনার মধ্যে কোনও সামঞ্জস‌্য নেই। এই ৪৫টি সংস্থাকে তারা এ, বি, সি, ডি– চারটি ভাগে ভাগ করেছে।

Advertisement

এ ক‌্যাটেগরিতে, লোকসানে চলা ৩৩টি সংস্থা নির্বাচনী বন্ডের মাধ‌্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে ৫৭৬.২ কোটি টাকা দিয়েছে। এর ৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৪৩৪.২ কোটি টাকাই পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) দল বিজেপি। ওই সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই সংস্থাগুলি ২০১৬-১৭ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত মোট সাত বছর কর-পরবর্তী হিসাবে লোকসান করেছে। এই ৩৩টি কোম্পানির মোট লোকসান ছিল ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। এই ৩৩টি সংস্থার মধ্যে ১৬টি সামগ্রিকভাবে শূন্য বা নেতিবাচক (-) প্রত্যক্ষ কর প্রদান করেছে। এই লোকসানে চলা সংস্থাগুলি যে ভাবে উল্লেখযোগ্য অনুদান দিয়েছে, তাতে বোঝা যায় যে, সেগুলি অন্য সংস্থার জন্য ফ্রন্ট হিসাবে কাজ করতে পারে বা তাদের লাভ এবং ক্ষতির ভুল রিপোর্ট পেশ করেছে। অর্থ পাচারের জন‌্যও এমন পদ্ধতি নেওয়া হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত কি কোটিপতি? রয়েছে কত সম্পত্তি?]

বি ক‌্যাটেগরিতে, ছয়টি সংস্থাই মোট ৬৪৬ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছে। যার ৯৩ শতাংশ, ৬০১ কোটি টাকা পেয়েছে বিজেপি। ২০১৬-১৭ থেকে ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে তাদের মুনাফা হয়েছে, তবে নির্বাচনী বন্ডের মাধ‌্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে দেওয়া চাঁদা, সেই লাভের অঙ্ককে ছাপিয়ে গিয়েছে। এই সংস্থাগুলিও অন্যান্য সংস্থার জন্য ফ্রন্ট হিসাবে কাজ করতে পারে বা তাদের লাভ এবং ক্ষতির ভুল রিপোর্ট করতে পারে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জেহাদিদের আর বাঁচাতে পারবে না পাকিস্তান! রাজনাথ বললেন, ‘ঘুস কে মারেঙ্গে’]

সি ক‌্যাটেগরিতে, তিনটি সংস্থা মোট ১৯৩.৮ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছে, যার ১৫ শতাংশ বা ২৮.৩ কোটি টাকা বিজেপি ভাঙিয়েছে। এই তিনটি সংস্থার ইতিবাচক নিট লাভ ছিল, কিন্তু ২০১৬-১৭ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রত্যক্ষ কর রিপোর্ট করেছে। এই ধরনের সংস্থাগুলি করফাঁকি দিয়ে থাকতে পারে। এবং ডি ক‌্যাটাগরিতে, তিনটি সংস্থা মোট ১৯.৪ কোটি টাকার বন্ড কিনেছে। যার মধ্যে ৪.৯ কোটি টাকা (৩০ শতাংশ) পেয়েছে বিজেপি, বাকিটা কংগ্রেস, অকালি দল এবং জেডিইউ পেয়েছে। এই তিনটি সংস্থার পুরো সাত বছরের মেয়াদে প্রদত্ত নিট লাভ বা প্রত্যক্ষ করের কোনও তথ্য নেই, যাতে দাতারা অর্থ পাচারে জড়িত ছিল কি না তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন