সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ ওঠে জাতপাতের রাজনীতি করার। বারবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে সংখ্যালঘুদের অবহেলা করার। অভিযোগ ওঠে, তাঁর সরকারের আমলেই অত্যাচারিত সংখ্যালঘু, বাড়বাড়ন্ত হিন্দুত্ববাদীদের। সেই সব অভিযোগ এবার সপাটে খারিজ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(PM Modi)। তাঁর পালটা দাবি, বিজেপি নয় বরং ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে জাতপাতের রাজনীতি করে বিরোধীরাই।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, “ভোটের জন্য এসসি, এসটি, ওবিসিদের মধ্যে বিভেদের রাজনীতি করছে বিরোধীরা। ওরা ভোট জিহাদকে সমর্থন করে। ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে জাতপাত এবং ধর্মের রাজনীতি বিরোধীরাই করছে। আমি শুধু সেই মুখোশটা খুলে দিতে চাই। যাতে মানুষ দেখতে পায় এরা কতটা সাম্প্রদায়িক।”
[আরও পড়ুন: আটবার পদ্মে ভোট! অখিলেশ ‘ছাপ্পা’র ভিডিও প্রকাশ্য়ে আনতেই গ্রেপ্তার যুবক]
প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, বিরোধীদের রাজনীতিটাই ভেদাভেদের। এভাবেই ওরা রাজনীতি করে। মোদির কথায়, “মাঝে মাঝে ভাবি আমার আরও যত্নবান হওয়া উচিত। কিন্তু এখন আমার মনে হয়, আমাকে সাম্প্রদায়িক বলে দাগিয়ে দেওয়া হল, কী না হল, মানুষ আমাকে নিয়ে কী বলল সেসব না ভেবে ওদের পাপ মানুষের সামনে আনা উচিত।”
[আরও পড়ুন: ‘মোদির আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরেছে’, মহারাষ্ট্রে ৫০ শতাংশ আসনে জয়ের বার্তা পওয়ারের]
তিনি যে ধর্মের নামে রাজনীতি করেন না সেটা বোঝাতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি যখন কোনও পরিষেবার কথা বলি, সবসময় বলি ১০০ শতাংশ মানুষের কাছে সেটা পৌঁছে দিতে হবে। আমি গ্রামে গ্রামে ১০০ শতাংশ পরিষেবা দিচ্ছি। কখনও কাউকে জিজ্ঞেস করি না আপনি কোন জাতির, কোন ধর্মের। সবকা সাথ, সবকা বিকাশের আদর্শে আমরাই বিশ্বাস করি।”
সর্বশেষ খবর
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
ইতিহাস গড়ে এই প্রথম লালকেল্লায় বন্দে মাতরম, জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুরু প্রধানমন্ত্রীর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮