Madhya Pradesh

গোমূত্র, গোবরেই ক্যানসারের ওষুধ, মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সরকারের গবেষণা প্রকল্পে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি!

কী জানা গিয়েছে তদন্তে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
গোমূত্র, গোবরেই ক্যানসারের ওষুধ, মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সরকারের গবেষণা প্রকল্পে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে গোমূত্রের বিকল্প কিছু নেই। বিজেপি নেতাদের মুখে এমন মন্তব্য একাধিকবার শোনা গিয়েছে। কিন্তু একদশকেরও বেশি সময় আগে এই নিয়ে একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করেছিল মধ্যপ্রদেশের গেরুয়া সরকার। সেই প্রকল্পেই এবার লাগামছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ উঠল।

Advertisement

২০১১ সালে জব্বলপুরের নানাজি দেশমুখ বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রকল্পটি চালু হয়েছিল। সেই সময় মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলে শিবরাজ সিং চৌহান। প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল ‘পঞ্চগব্য’ (গোবর, গোমূত্র এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত দ্রব্যের মিশ্রণ) ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগ নিরাময়ে সক্ষম কিনা, তা বিশ্লেষণ করা। কিন্তু সম্প্রতি এই সরকারি প্রকল্পেই বিপুল আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ! ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছেও জমা পড়েছে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, প্রকল্পটির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রায় আট কোটি টাকার তহবিলের সাহায্য চেয়েছিল, কিন্তু রাজ্য সরকার প্রকল্পের জন্য সাড়ে তিন কোটি টাকাই অনুমোদন করেছিল। কিন্তু এই টাকা ঠিক কোথায় কোথায় খরচ হয়েছিল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে তদন্ত। মধ্যপ্রদেশ সরকারের দেওয়া এই টাকাতেই অনিময়মের অভিযোগ উঠেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্তে উঠে এসেছে, ২০১১ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গোবর, গোমূত্র, সংরক্ষণ পাত্র এবং কাঁচামালের মতো জিনিসপত্র কেনার জন্য প্রায় ১.৯২ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে কিন্তু সেই সময়ের বাজারমূল্য দেখলে এই অঙ্কটি ১৫.২০ লক্ষ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয় বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তারা গবেষণার কাজে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ২৩-২৪ বার বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন। কিন্তু এর প্রয়োজনীয়তা কি আদৌ ছিল? উঠছে প্রশ্ন। এখানেই শেষ নয়। তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আনুমানিক ৭.৫ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি কেনা হয়েছিল। কিন্তু তা মূল অনুমোদিত বাজেটে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

Advertisement

জব্বলপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক রঘুবর মারাভি বলেন, “তদন্তের সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে নথিপত্র জমা দিয়েছিল, সেখানে অনেক কিছু কেনাকাটির উল্লেখ ছিল। কিন্তু এগুলির অনুমোদন সরকার দেয়নি।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে কৃষকদের কিছু প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছিলস কিন্তু ঠিক কী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, তা উল্লেখ করা হয়নি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.