Mamata Banerjee

ঋতব্রতর ‘বিরোধী’ দলনেতা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করবে কালীঘাট? কল্যাণ বলছেন, ‘আদালতে প্রমাণ হবে’

মমতা ঘনিষ্ঠদের সূত্র বলছে, নেত্রী সবুজ সংকেত দিলেই স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হবে। তবে আপাতত অপেক্ষা করা হচ্ছে সরকারিভাবে বিধানসভার বিবৃতির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৫:৩৭

options
link
ঋতব্রতর ‘বিরোধী’ দলনেতা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করবে কালীঘাট? কল্যাণ বলছেন, ‘আদালতে প্রমাণ হবে’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন তৃণমূলের সামনে এবার নয়া চ্যালেঞ্জ। উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়কের বিরোধী দলনেতা নিয়োগকে এবার চ্যালেঞ্জ করতে চলেছে কালীঘাট। মমতা (Mamata Banerjee) ঘনিষ্ঠদের সূত্র বলছে, নেত্রী সবুজ সংকেত দিলেই স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হবে। তবে আপাতত অপেক্ষা করা হচ্ছে সরকারিভাবে বিধানসভার বিবৃতির।

Advertisement

আসলে গত বুধবার ঋতব্রতরা ‘নতুন তৃণমূল’ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করার পর তাঁদের জন্য বিরোধী দলনেতার ঘর খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতার পদে তিনি নিয়োগ করেছেন বলেও খবর। সে নিয়ে সরকারিভাবে বিধানসভা এখনও কোনও বিবৃতি যদিও দেয়নি। তৃণমূলের দাবি, পুরোটাই বেআইনি। দল থেকে বহিষ্কৃত কোনও নেতা বিরোধী দলনেতা হতে পারে না।

Advertisement

যদিও স্পিকার রথীন্দ্র বসু সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আগে কারণ দর্শানোর নোটিস দিতে হয়, জবাব দেওয়ার সুযোগ দিতে হয়। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না করে হঠাৎ বহিষ্কারের হাঁটা যায় না।দলীয় সংবিধান ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় ওই বহিষ্কার বৈধ বলে গণ্য করা যায় না।” তিনি আরও বলেন, যে গোষ্ঠীর পাশে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে, তাদের অবস্থানকে অগ্রাহ্য করা যায় না। তাঁর দাবি, ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনপুষ্ট শিবিরই নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করছে এবং সেই বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।”

Advertisement

স্পিকারের বক্তব্য, “আইনে যা বলা রয়েছে, ঠিক সেই পথেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। না বেশি, না কম। প্রথম আবেদনে ত্রুটি ছিল বলেই তা গ্রহণ করা হয়নি।” কিন্তু সেই যুক্তি মানতে নারাজ মমতার ঘনিষ্ঠ তথা তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “যা হয়েছে সবটাই বেআইনি। আদালতে প্রমাণ হবে।” শোনা যাচ্ছে, কল্যাণ ওই ‘দলচুরি’র বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সবটাই করা হবে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষার পর। পরিস্থিতি কোনদিকে গড়ায় সেদিকে নজর রাখছে কালীঘাট। তাছাড়া সবটাই হবে দলনেত্রীর সম্মতির পরই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.