Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Teacher of West Bengal

সরকারি শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন বন্ধ না করলে কড়া শাস্তি, নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের

স্থায়ী সরকারি শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করার নির্দেশ শিক্ষার অধিকার আইনেই বলা আছে। তবু কিছু সুবিধাবাদী শিক্ষক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রাইভেট টিউশন করে যাচ্ছিলেন। এবার সেই প্রবণতায় রাশ টানতে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে নির্দেশিকা জারি করল স্কুল শিক্ষা দপ্তর।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৫:০২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৫:০২

options
link
সরকারি শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন বন্ধ না করলে কড়া শাস্তি, নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের zoom
সরকারি শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন বন্ধ না করলে কড়া শাস্তি।

স্থায়ী সরকারি শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করার নির্দেশ শিক্ষার অধিকার আইনেই বলা আছে। তবু কিছু সুবিধাবাদী শিক্ষক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রাইভেট টিউশন করে যাচ্ছিলেন। এবার সেই প্রবণতায় রাশ টানতে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে নির্দেশিকা জারি করল স্কুল শিক্ষা দপ্তর। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, কোনও সরকারি বা সরকার পোষিত স্কুলে কর্মরত শিক্ষক গৃহশিক্ষকতা করতে পারবেন না। যদি কোনও শিক্ষক নিজ স্কুলের বা অন্য কোনও পড়ুয়াকে প্রাইভেট টিউশন দেন, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা স্কুল পরিদর্শক এবং স্কুলশিক্ষা দপ্তর তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইনের ২৮ নম্বর ধারায় সরকারি শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতীতে এই নিয়ে বিতর্ক হলেও প্রবণতা রোধ করা যায়নি বলেই অভিযোগ। এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে বিজ্ঞপ্তি পেয়ে কঠোর পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্কুল শিক্ষা দপ্তর সব জেলার স্কুল পরিদর্শকদের সাফ জানিয়ে দিল, যদি কোনওভাবে এই সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। প্রসঙ্গত, প্রাইভেট টিউশন করা শিক্ষকদের একাংশ টিউশন না পড়ার জন্য ছাত্রছাত্রীকে হুমকি দিয়েছেন বা পড়াশোনায় কম নম্বর দেওয়ার ভয় দেখিয়েছেন, এমন অভিযোগ আছে। শাস্তির ভয়ে এবার এই সংস্কৃতি বন্ধ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

Advertisement

২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইনের ২৮ নম্বর ধারায় সরকারি শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতীতে এই নিয়ে বিতর্ক হলেও প্রবণতা রোধ করা যায়নি বলেই অভিযোগ। এবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে বিজ্ঞপ্তি পেয়ে কঠোর পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার।

শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, “সব থেকে বেশি নজর দেওয়া উচিত স্কুলের সার্বিক পরিকাঠামো এবং মানোন্নয়নে। তা হলে গৃহশিক্ষকদের সাহায্য নিতেই হবে না। অভিভাবকরা কেন অভিজ্ঞ শিক্ষকদের কাছে যাচ্ছেন সেটাও তো দেখতে হবে। স্কুল থেকেই যদি সেই শিক্ষা সম্পূর্ণ হয় তা হলে তো আর অন্য গৃহশিক্ষকের প্রয়োজন নেই।”

মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি আবার ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত আগে ঠিক করে বিজ্ঞানভিত্তিক সিলেবাস রূপায়ণের দাবি তুলেছে। সরকারের এই পদক্ষেপে খুশি ‘বিশুদ্ধ’ প্রাইভেট টিউটররা। পশ্চিমবঙ্গ গৃহশিক্ষক কল্যাণ সমিতি জানিয়েছে, নতুন বিজ্ঞপ্তির জন্য তারা আশাবাদী। পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে সমিতির পক্ষ থেকে বিধায়কদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা যদি শুধু কাগজ কলমেই থেকে যায় তাহলে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন শুরুর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সমিতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.