সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তার মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা। ঝাড়খণ্ডের চাইবাসায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে খতম সেই মাওবাদী নেতা অমিত হাঁসদা ওরফে আপ্টন। রবিবার প্রশাসনের তরফে একথা জানানো হয়েছে। পশ্চিম সিংভূমের সারান্ডার জঙ্গলে ওই এনকাউন্টার হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক ও অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এনকাউন্টারের পর গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালায় বাহিনী।
কয়েকদিন আগে দু’জন পুলিশকর্মী নিহত হন মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে। গুরুতর আহত হন একজন। এরপরই গত ৩ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে ফের শুরু হয় গুলির লড়াই। আসলে আগে থেকেই খবর ছিল মাও নেতা শশীকান্ত গাঞ্জু, যার মাথার দামও ১০ লাখ, সম্ভবত ওই পথ দিয়ে নিজের গ্রাম কেদালে যেতে পারে করম উৎসবে যোগ দিতে। জঙ্গল ঘিরে ফেলে বাহিনী। টের পেয়ে শশীকান্ত ও তার সঙ্গীরা গুলি চালাতে থাকে। পালটা গুলি চালায় বাহিনীও। আর সেই লড়াইয়েই খতম হয় অমিত। তিনজন পুলিশকর্মী আহত হন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের ডালটনগঞ্জের মেদিনীরাই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকরা দু’জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এখনও শশীকান্তের সন্ধান মেলেনি। এলাকায় এখনও তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর থেকেই ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝড়খণ্ডের মতো মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে মাওবিরোধী অভিযান ব্যাপক গতি পেয়েছে। গোয়েন্দাদের মতে, বর্তমানে ছত্তিশগড়-তেলেঙ্গানা সীমানাবর্তী কারেগুট্টা পাহাড়ি এলাকা মাওবাদীদের অন্যতম শক্তঘাঁটি। এই এলাকা থেকে মাওবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে প্রায় ৩ হাজার আধাসেনাকে নামানো হয়েছে। দেশের বাকি অংশেও লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। সেই অভিযানের জেরে ব্যাকফুটে যাওয়া মাওবাদীরা এবার নিশানা করতে শুরু করেছে সাধারণ গ্রামবাসীদের।
সর্বশেষ খবর
-
অ্যাকশনের ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন শমীক, এবার সাংগঠনিক রদবদলের পথে হাঁটছে রাজ্য বিজেপি
-
চা-চক্রের গভীর ব্যঞ্জনা, উষ্ণ জীবনবোধের পানীয়
-
‘এত চুরি করেছেন, চোর শুনতেই হবে!’ মমতার হেনস্তাকে ‘জনরোষ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী
-
দ্বিতীয় দিন ৬ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ ভবানীভবনে, ‘আত্মগোপন’ নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক
-
‘এখনও মেয়ের সঙ্গে রাতটা কাটে’, দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে চোখের জলে অভয়াকে স্মরণ মায়ের