Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

‘এত চুরি করেছেন, চোর শুনতেই হবে!’ মমতার হেনস্তাকে ‘জনরোষ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

হালিশহরে মমতার হেনস্তার ঘটনাকে অভয়ার মৃত্যুদিনের সঙ্গে জুড়লেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৯:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৯:১২

options
link
‘এত চুরি করেছেন, চোর শুনতেই হবে!’ মমতার হেনস্তাকে ‘জনরোষ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

হালিশহরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্তার ঘটনায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “এত চুরি করেছেন চোর তো শুনতেই হবে।” এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয় বলেও জানান তিনি। হালিশহরের ঘটনাকে ‘প্রবল জনরোষ’ বলে ব্যাখ্যা করেন শুভেন্দু। পাশাপাশি এই ঘটনাকে অভয়ার মৃত্যুদিনের সঙ্গে জুড়লেন তিনি।

রবিবার, ৯ আগস্ট, অভয়ার মৃত্যুদিনে মমতা কেন তাঁর বাড়িতে গেলেন না সেই প্রশ্নও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আপনি তো আজ অভয়ার বাড়িতে যেতে পারতেন! গলায় গামছা নিয়ে রত্না দেবনাথের কাছে ক্ষমা চাইতে পারতেন। বলতে পারতেন যে, ভুল করেছি, ক্ষমা করুন। আমার বিশ্বাস, তিনি ক্ষমা করে দিতেন।” মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, “অভয়াকে যেদিন মেরেছিলেন, প্রমাণ লোপাট করতে গিয়েছিলেন, ১০ লাখ টাকা দিয়ে কিনতে গিয়েছিলেন সেদিন আপনার গাড়িতে কাদা মাখাবে না তো কি ফুল ছুড়বে?”

Advertisement

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিরজু কুমারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। এলাকায় তোলাবাজি-মারামারির অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলেই জানান তদন্তকারীরা। পরিবারের দাবি, গ্রেপ্তারের পর তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। সন্ধ্যায় তাঁর স্ত্রী জেলে দেখাও করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় বিরজু সুস্থই ছিলেন বলে জানান তাঁর স্ত্রী। হালিশহর থানার পুলিশের দাবি, শুক্রবার ভোররাতে ওই যুবককে অসুস্থ অবস্থায় লকআপে পড়ে থাকতে দেখা যায়। কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতাল নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। যুবকের শরীরের একাধিক জায়গায় হাত-পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও অভিযোগ। পরিবারের আরও অভিযোগ, সকালে হালিশহর থানার পুলিশ কল্যাণী হাসপাতালে বিরজুর দেহ রেখে চলে যায়। ওই নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রবিবার দুপুরে হালিশহরে যান বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে লক্ষ্য করে জল ও কাদা ছোড়া হয়। জুতোও ছোড়া হয়। ‘চোর ও ডাকাতরানি’ স্লোগানও দেওয়া হয়। যদিও প্রবল বিক্ষোভের মাঝেই নিহত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মমতা। বিক্ষোভের ঘটনার প্রবল সমালোচনা করেন।

শুভেন্দুর অভিযোগ, পুলিশকে না জানিয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে অহেতুক রাজনীতি করতে রবিবার হালিশহরে গিয়েছিলেন মমতা। তিনি জানান, মৃতের বাড়ির লোক মমতাকে ডাকেননি। তিনি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হন তা চান না। তাঁরা দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। মমতা জোর করে ঢুকতে চাইছিলেন। বাড়ির লোক প্রশাসন ও পুলিশের উপর সন্তুষ্ঠ। মমতা তাঁদের বিচার দিতে পারবেন না। পুলিশ প্রশাসনই দেবে। মমতার উদ্দেশে বেশ কয়েকটি পরামর্শ দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “বাড়ির লোক দরজা বন্ধ করে দিচ্ছেন। কিন্তু আপনি বলছেন, জোর করে ঢুকব। এসব করবেন না। আপনার কাছ থেকে সাহায্য, হস্তক্ষেপ চাইলে করুন। এখন উন্নয়নের সময়। কোথাও গিয়ে এমন কিছু করবেন না যাতে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.