Live-in Relationship

বিয়ের পরও অন্যের সঙ্গে লিভ-ইন বেআইনি নয়’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের

'নৈতিকতা ও আইনকে আলাদা করে দেখতে হবে', বলছে বিচারপতিদের বেঞ্চ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৭:৩২

options
link
বিয়ের পরও অন্যের সঙ্গে লিভ-ইন বেআইনি নয়’, মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের
নৈতিকতা এবং আইনকে পৃথক রাখতে হবে বলে জানাচ্ছে হাই কোর্ট।

একজন বিবাহিত পুরুষ যদি কোনও মহিলার সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে (Live-in Relationship) জড়ান, সেটা আইনের চোখে অপরাধ নয়। এমনই মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের। সেই সঙ্গেই উচ্চ আদালত জানিয়েছে, সামাজিক নৈতিকতা কখনও আদালতের ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়ার কর্তব্যকে ছাপিয়ে যেতে পারে না। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।

Advertisement

এদিন বিচারপতি জেজে মুনির ও বিচারপতি তরুণ সাক্সেনার বেঞ্চ জানিয়েছে, ”একজন বিবাহিত পুরুষ যদি তিনি অপর একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্মতিতে তাঁর সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে জড়ান, তবে তাঁকে কোনও প্রকার অপরাধের দায়েই অভিযুক্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়ার সম্মুখীন করা যায় না। নৈতিকতা এবং আইনকে অবশ্যই একে অপরের থেকে পৃথক রাখতে হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একজন বিবাহিত পুরুষ যদি কোনও মহিলার সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে জড়ান, সেটা আইনের চোখে অপরাধ নয়। এমনই মন্তব্য এলাহাবাদ হাই কোর্টের। সেই সঙ্গেই উচ্চ আদালত জানিয়েছে, সামাজিক নৈতিকতা কখনও আদালতের ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়ার কর্তব্যকে ছাপিয়ে যেতে পারে না।

হাই কোর্ট জানিয়েছে, আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্টকে লিভ-ইনে থাকা ওই মহিলা জানিয়ে দিয়েছিলেন স্বেচ্ছায় তিনি একজন পুরুষের সঙ্গে রয়েছেন। সেই সঙ্গেই অভিযোগ করেন, তাঁর পরিবার তাঁকে ‘অনার কিলিং’ করার চেষ্টা করছে। উচ্চ আদালত জানিয়েছে, পুলিশের কর্তব্য দু’জন প্রাপ্তবয়স্ককে সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে, এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপই গ্রহণ করা হয়নি।  আদালত আরও জানিয়েছে, এ বিষয়ে পুলিশ সুপারের সুনির্দিষ্ট কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্ট তাদের পূর্ববর্তী একটি রায়েও বহাল রেখেছিল।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ওই মহিলার মায়ের অভিযোগ, এক যুবক তাঁর মেয়েকে ফাঁসিয়ে লিভ-ইন শুরু করেছেন। কিন্তু ওই যুবক বিবাহিত। আর এই পরিস্থিতিতে আদালত পরিষ্কার জানিয়েছে, এক্ষেত্রে বিষয়টিকে ফৌজদারি আইনের অধীনে বিচার করা যায় না। কেননা মেয়েটি স্বেচ্ছায় ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকতে চেয়েছে। সেই সঙ্গেই ওই নারীর পরিবারকে দম্পতিটির কোনওরকম ক্ষতি করা, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন