delimitation bill

মহিলা সংরক্ষণের ‘আড়ালে’ তড়িঘড়ি আসন পুনর্বিন্যাস বিল কেন? ‘হারে’র পর কী সাফাই কেন্দ্রের?

বিলের প্রবল সমালোচনা করে সুর চড়িয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অন্যান্য বিরোধী নেতারা। পালটা বিজেপির তোপ, বিরোধীরা নারীস্বার্থের বিরোধিতা করছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১৩:১৪

options
link
মহিলা সংরক্ষণের ‘আড়ালে’ তড়িঘড়ি আসন পুনর্বিন্যাস বিল কেন? ‘হারে’র পর কী সাফাই কেন্দ্রের?
বিলের প্রবল সমালোচনা করে সুর চড়িয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অন্যান্য বিরোধী নেতারা। প্রতীকী ছবি।

‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ অর্থাৎ মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল পাশ হয়নি লোকসভায়। তারপর থেকে দেশজুড়ে চলছে শাসক-বিরোধী তরজা। বিলের প্রবল সমালোচনা করে সুর চড়িয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অন্যান্য বিরোধী নেতারা। পালটা বিজেপির তোপ, বিরোধীরা নারীস্বার্থের বিরোধিতা করছে। এবার বিল পেশের উদ্দেশ্য নিয়ে মুখ খুল কেন্দ্র সরকার।

Advertisement

কেন্দ্রের প্রাকশিত এফএকিউ (ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোয়েশ্চেন্স)তে বলা হয়েছে, মোট তিনটি বিল পেশ করা হয়েছিল। ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিলের সঙ্গে আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের সংশোধনী বিল। বিরোধীদের আপত্তির একটা প্রধান কারণ ছিল কেন্দ্রে ‘তাড়াহুড়ো’। পাঁচটি বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন কেন বিশেষ অধিবেশন ডেকে বিল পাশের চেষ্টা হল, সেই নিয়েও কেন্দ্র সাফাই দিয়েছে। মোদি সরকারের দাবি, জনগণনা এবং তার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস-দুটোই অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ। ফলে ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতেই দ্রুত বিল পেশ করা প্রয়োজন ছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রশ্ন রয়েছে, মহিলা সংরক্ষণের জন্য আসন পুনর্বিন্যাসের কী প্রয়োজন? বর্তমানে যে আসন রয়েছে সেটারই ৩৩ শতাংশ বরাদ্দ করা যেত মহিলাদের জন্য। এই প্রশ্নের সরাসরি জবাব কেন্দ্রের তরফ থেকে দেওয়া হয়নি। মোদি সরকারের সাফাই, ১৯৭১ সালে ভারতের জনসংখ্যা ছিল ৫৪ কোটি। তার ভিত্তিতে ১৯৭৬ সালে লোকসভার আসন নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি তাই লোকসভার আসন ৮৫০ করাটা অত্যন্ত প্রয়োজন। কেন্দ্রের তরফ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমান আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

Advertisement

উল্লেখ্য, প্রথম থেকেই ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ সংশোধনী বিলকে তুলোধোনা করেছেন বিরোধীরা। লোকসভার সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সাফ বলেন, নারী সংরক্ষণকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য বিপজ্জনক। এটা আসলে ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল। বিল পাশে ব্যর্থ হওয়ার পরে কেন্দ্র এই বিল নিয়ে সাফাই দিলেও বিরোধীদের তত্ত্ব খারিজ হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন