Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mallikarjun Kharge

সরকারি মঞ্চে রাজনৈতিক ভাষণ, ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম! মোদিকে কড়া জবাব খাড়গের

'হতাশ এবং মরিয়া হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে বার্তাকে রাজনৈতিক ভাষণে পরিণত করলেন।' দাবি মল্লিকার্জুন খাড়গের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১১:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১১:০৩

options
link
সরকারি মঞ্চে রাজনৈতিক ভাষণ, ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম! মোদিকে কড়া জবাব খাড়গের zoom
মল্লিকার্জুন খাড়গে ও নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি।

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে এসে নাম করে করে বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির! মোটে আধ ঘণ্টার ভাষণে ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম নিলেন। সাফ বলে দিলেন, মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী আটকে দিয়ে ভ্রুণহত্যার সমান পাপ করেছে কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধীরা। মোদির সেই ‘রাজনৈতিক’ ভাষণকে এবার তুলোধোনা করল হাত শিবির। কংগ্রেসের বক্তব্য, “এভাবে সরকারি মঞ্চকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ভাষণ আসলে ভারতীয় সংবিধান এবং গণতন্ত্রের সঙ্গে প্রতারণা।”

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর সোশাল মিডিয়ায় খোদ কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলে দিলেন, “হতাশ এবং মরিয়া হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতির উদ্দেশে বার্তাকে রাজনৈতিক ভাষণে পরিণত করলেন। পুরো ভাষণ মিথ্যায় ভরা, পুরোপুরি বিভ্রান্তিকর। একাধিক রাজ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে যেভাবে প্রধানমন্ত্রী সরকারি সুবিধা কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক প্রচার চালালেন সেটা ভারতের সংবিধান আর গণতন্ত্রের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়।”

Advertisement

কংগ্রেস সভাপতির দাবি, নিজের আধ ঘণ্টার ভাষণে ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মহিলাদের কথা বলেছেন মাত্র বার কয়েক। এতেই বোঝা যায়, তিনি কোন বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেন। মহিলারা বিজেপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নন। বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ শুধু কংগ্রেস। কারণ কংগ্রেস ইতিহাসের সঠিক দিক দাঁড়িয়ে। খাড়গের দাবি, কংগ্রেস বরাবর মহিলা সংরক্ষণের পক্ষে। সেটা একাধিকবার প্রমাণও হয়েছে। বিজেপির আসল উদ্দেশ্য ছিল দেশকে ভাগ করা।

বস্তুত, শনিবার প্রধানমন্ত্রী যেভাবে জাতির উদ্দেশে ভাষণের নামে কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকের মতো দলগুলির নাম করে তোপ দেগেছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বহু মানুষই। প্রশ্ন উঠছে, প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদায় বসে এভাবে জাতীয় পতাকাকে পিছনে রেখে বিরোধীদের নাম করে নিশানা করতে পারেন কি প্রধানমন্ত্রী?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.