Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Politics

ক্ষমতা দখলের কৌশল বনাম নারী অধিকার, সংবিধান সংশোধনী বিল মুখ থুবড়ে পড়তেই দ্বিধাবিভক্ত রাজনীতি

শনিবার দুপুরে কংগ্রেসের সদর দপ্তর থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে দলীয় নেত্রী তথা লোকসভার সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সরাসরি অভিযোগ করেন, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া ছিল 'ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল'। তাঁর কথায়, নারী সংরক্ষণকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য বিপজ্জনক।

Advertisement
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১০:৫৭

link
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ১০:৫৭

options
link
ক্ষমতা দখলের কৌশল বনাম নারী অধিকার, সংবিধান সংশোধনী বিল মুখ থুবড়ে পড়তেই দ্বিধাবিভক্ত রাজনীতি zoom
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত।

সংশোধনী বিল মুখ থুবড়ে পড়ার পরে এখন শাসক-বিরোধী দুই শিবিরের সংঘাত চরমে। বিল ঘিরে এখন স্পষ্ট-নীতির লড়াই যতটা, তার চেয়েও বড় লড়াই ন্যারেটিভ দখলের। শাসক ও বিরোধী, দুই শিবিরই নিজেদের অবস্থানকে জনমানসে প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া। দেশে ভোটের আবহে এই মুহূর্তে বাস্তব রাজনীতির পাশাপাশি ধারণার রাজনীতিই মূল যুদ্ধক্ষেত্র। তাই বিরোধীরা এই ইস্যুটিকে গণতন্ত্র বনাম ক্ষমতার কৌশল হিসাবে তুলে ধরছে। আবার শাসকদল সেটিকে নারী অধিকার বনাম বিরোধী বাধা হিসাবে সামনে আনতে চাইছে। ফলে, বিল পাশ বা আটকে যাওয়ার প্রশ্নের বাইরে গিয়ে এই লড়াই এখন জনমতের-কে নিজের ব্যাখ্যাকে ‘সত্য’ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

সেই লক্ষ্যে একদিকে বিল আটকে দেওয়ার দাবিকে সামনে রেখে প্রচারে নেমেছে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোট। তাদের অভিযোগ, ডিলিমিটেশনকে হাতিয়ার করে আসন পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ক্ষমতার সমীকরণ বদলের পরিকল্পনা করছিল কেন্দ্র। তা আটকাতে সফল হয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি। তাদের দাবি, বিলটি আটকে দিয়ে বিরোধীরা দেশের মহিলাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। শাসকদলের অভিযোগ, নারী সংরক্ষণের ঐতিহাসিক সুযোগ নষ্ট করেছে বিরোধী শিবির।

Advertisement

শনিবার দুপুরে কংগ্রেসের সদর দপ্তর থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে দলীয় নেত্রী তথা লোকসভার সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সরাসরি অভিযোগ করেন, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া ছিল ‘ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল’। তাঁর কথায়, নারী সংরক্ষণকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যের জন্য বিপজ্জনক।

ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই বিজেপির সদর দপ্তর থেকে পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি ও রবিশঙ্কর প্রসাদ দাবি করেন, বিরোধীরা নারীস্বার্থের বিরোধিতা করছে। তাঁদের মতে, বিলটি পাস হলে সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব ঐতিহাসিকভাবে বৃদ্ধি পেত, কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে সেটিকে আটকে দেওয়া হয়েছে। আবার বিল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনাও চরমে পৌঁছে গিয়েছে দিল্লিতে। এদিনই বিজেপির মহিলা নেত্রী ও কর্মীরা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বাসভবনের দিকে মিছিল করেন। সেখানে প্রতিবাদকারীরা বিক্ষোভ দেখান ও কুশপুতুল দাহ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.