Ram Navami

অযোধ্যায় রামনবমীতে রামলালার সূর্য তিলক, হাতজোড় করে দেশবাসীর মঙ্গল কামনা মোদির

ত্রেতা যুগ যেন ফিরে এল কলিযুগে! ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক দুপুর ১২টা। 'জয় শ্রীরাম' ধ্বনিতে কেঁপে উঠল সরযূ তট। ঠিক সেই মাহেন্দ্রক্ষণেই ঘটল বিস্ময়কর ঘটনা। নবনির্মিত মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার কপালে এসে পড়ল সূর্যের প্রখর রশ্মি। দপ করে জ্বলে উঠল চন্দনের তিলক। চার মিনিট ধরে চলল সূর্যদেবতার এই বিশেষ অভিষেক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬, ১৫:১১

options
link
অযোধ্যায় রামনবমীতে রামলালার সূর্য তিলক, হাতজোড় করে দেশবাসীর মঙ্গল কামনা মোদির
প্রধানমন্ত্রী হাত জোড় করে রামলালার কাছে দেশবাসীর মঙ্গল প্রার্থনা করেন।

ত্রেতা যুগ যেন ফিরে এল কলিযুগে! ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক দুপুর ১২টা। ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে কেঁপে উঠল সরযূ তট। ঠিক সেই মাহেন্দ্রক্ষণেই ঘটল বিস্ময়কর ঘটনা। নবনির্মিত মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার কপালে এসে পড়ল সূর্যের প্রখর রশ্মি। দপ করে জ্বলে উঠল চন্দনের তিলক। চার মিনিট ধরে চলল সূর্যদেবতার এই বিশেষ অভিষেক। বৃহস্পতিবার রামনবমীর (Ram Navami) দুপুরে অযোধ্যায় ভক্তকুলের হৃদয়ে অপার বিস্ময় জাগিয়ে তুলল ‘সূর্য তিলক’ উৎসব।

Advertisement

অযোধ্যার এই অনুষ্ঠান কেবল আধ্যাত্মিক নয়। বিজ্ঞানের চরম নিদর্শন। রুরকির সিবিআরআই এবং বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা এই অসাধ্য সাধন করেছেন। আয়না এবং লেন্সের সমন্বয়ে তৈরি একটি অপ্টো-মেকানিক্যাল সিস্টেমের মাধ্যমে সূর্যের আলোকে তিন তলা থেকে নামিয়ে আনা হয় গর্ভগৃহে। ৫.৮ সেন্টিমিটার ব্যাসের সেই আলোকবিন্দু যখন রামলালার কপালে স্থির হল, মনে হচ্ছিল স্বয়ং সূর্যদেব তাঁর উত্তরপুরুষকে আশীর্বাদ করছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নিজ ব্যস্ততার মাঝেও টিভি স্ক্রিনে এই অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখেন তিনি। অসম্ভব আবেগঘন মুহূর্ত। সূর্য তিলক ভারতের বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এবং আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের মেলবন্ধন। প্রধানমন্ত্রী হাত জোড় করে রামলালার কাছে দেশবাসীর মঙ্গল প্রার্থনা করেন। অযোধ্যা পৌঁছাতে না পারা কোটি কোটি ভক্তও এলএইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে এই অলৌকিক দৃশ্যের সাক্ষী হন।

উৎসবের মেজাজে ভোর ৫টা থেকেই খুলে দেওয়া হয়েছিল মন্দিরের দরজা। সরযূ নদীতে পুণ্যস্নান সেরে ভক্তরা লাইন দেন মন্দিরে। প্রশাসনের হিসেব অনুযায়ী, দশ লক্ষেরও বেশি মানুষের ভিড় জমেছে আজ। ব্রহ্মমুহূর্তে পঞ্চগব্য ও সুগন্ধি জলে অভিষেকের পর বেলা ১১টায় সাজানো হয় রামলালাকে। দুপুর ১২টায় সূর্য তিলকের সঙ্গে সঙ্গে নিবেদন করা হয় ৫৬ প্রকারের ভোগ। গোটা অযোধ্যা শহর তখন ভক্তির রঙে রঙিন।

অযোধ্যার এই রামনবমী প্রমাণ করল, আধুনিক ভারত তার প্রাচীন ঐতিহ্যকে বিসর্জন দেয়নি, বরং প্রযুক্তির হাত ধরে তাকে পৌঁছে দিয়েছে এক নয়া উচ্চতায়। এই সূর্য তিলক কেবল একটি আলোকপাত নয়, এ যেন এক নতুন ভারতের উদয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.