সম্প্রীতির নজির! মন্দির কর্তৃপক্ষকে লাউডস্পিকার ‘উপহার’ মুসলিমদের

কানে আসছে না ভক্তিগীতি, মন খারাপ স্থানীয় মুসলিমদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৮:৪৭

options
link
সম্প্রীতির নজির! মন্দির কর্তৃপক্ষকে লাউডস্পিকার ‘উপহার’ মুসলিমদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাস চারেক আগের ঘটনা। মসজিদের আজানের সময়ে লাউডস্পিকার ব্যবহার করায় গায়ক সোনু নিগমের টুইটকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। গায়ক প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘ আমি মুসলিম নই, তবু রোজ আজানের শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যায়। ধর্মের নামে এই জুলুম কবে বন্ধ হবে এ দেশে?’ বিস্ফোরক এই মন্তব্যের জন্য রীতিমতো ফতোয়ার মুখেও পড়তে হয়েছিলেন সোনু নিগমকে।  আজানের শব্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী-গায়িকা সুচিত্রা কৃষ্ণমূর্তিও। তা নিয়েও কম সমালোচনা হয়নি। তবে সেই সব বিতর্ককে পিছনে ফেলে এবার সম্প্রীতির নজির গড়লেন মধ্যপ্রদেশের হার্দা শহরের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। স্থানীয় একটি মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে একটি লাউডস্পিকার তুলে দিলেন তাঁরা।

Advertisement

[‘মুসলিম নই, তবু আজান শুনে রোজ সকালে ঘুম ভাঙবে কেন?’]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দিন পাঁচেক আগে এই শহরের একটি মন্দিরে চুরি হয়। মন্দিরের লাউডস্পিকারটি নিয়ে চম্পট দেয় চোরেরা। মন্দিরের লাউডস্পিকারে ভক্তিমূলক গান শুনতে না পেয়ে বেজায় মন খারাপ স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেদের। খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, মন্দিরের লাউডস্পিকারটি চুরি হয়ে গিয়েছে। এরপরই নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষকে একটি লাউডস্পিকার উপহার দেন মুসলিমরা। স্থানীয় কাউন্সিলর ও হার্দা জেলা ওয়াকফ বোর্ডে সভাপতি সৈয়দ খান বলেন, ‘যখনই মন্দিরের পাশ দিয়ে যেতাম, লাউডস্পিকারে ভক্তিমূলক গান শুনতে পেতাম। কিন্তু, গত কয়েক দিন ধরে লাউডস্পিকারে গান বাজছিল না। খারাপ লেগেছিল। মন্দিরের পুরোহিতকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি, মন্দিরে নতুন লাউডস্পিকার লাগানোর কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এরপরই আমরাই নতুন লাউডস্পিকার কিনে হিন্দু-ভাইদের উপহার দিই।’  তিনি বলেন, কেউ যদি মন্দির বা মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার করা নিয়ে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করে থাকে, তাহলে তিনি একটাই কথা বলতে চান, ভারতে কোনও দিনই সাধারণ মানুষ এইসব জিনিস নিয়ে কোনও আপত্তি করেনি।

Advertisement

[আজানের শব্দে ঘুমোতে পারি না, সোনুর পর বিস্ফোরক মন্তব্য এই অভিনেত্রীর]

তবে এবার প্রথম নয়। হার্দা শহরে আগেও হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির ছবি দেখা গিয়েছে। চলতি মাসে শহরের রাস্তায় একটি গরুর মৃতদেহ পড়তে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়েরক মানুষরাই সেই মৃত গরুটির সৎকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।

[সোনার মূর্তি, লুকানো গুপ্তধন! কী নেই ভারতের এইসব মন্দিরে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.