বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিমরা শরণার্থী নয়, তথাগতর মন্তব্যে বিতর্ক

বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুরা শরণার্থী, মত ত্রিপুরার রাজ্যপালের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৮, ১৯:০৬

options
link
বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিমরা শরণার্থী নয়, তথাগতর মন্তব্যে বিতর্ক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য রীতিমতো বিখ্যাত হয়ে উঠেছেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায়। একাধিকবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সাংবিধানিক পদে থেকেও ধর্মীয় উসকানি দেওয়ার। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও নতুন নয়। এনআরসি ইস্যুতে তাঁর মন্তব্য আবারও বিতর্ক ছড়াল। ত্রিপুরার রাজ্যপাল বললেন, ওপার বাংলা থেকে যে সমস্ত মুসলিমরা এদেশে এসেছেন তারা রিফিউজি বা শরণার্থী নন।

Advertisement

[‘সভা করার অনুমতি দিক বা না দিক, বাংলায় যাবই’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ অমিতের]

অসমের এনআরসি নিয়ে মত দিতে গিয়ে একাধিক টুইট করেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল। তিনি দাবি করেন, যারা ধর্মবিশ্বাস, রাজনৈতিক বিশ্বাস, এবং অস্তিত্ব বাঁচাতে একদেশ থেকে অন্য দেশে যান তারাই একমাত্র শরণার্থী। যারা রোজগার বা সুযোগের আশায় দেশত্যাগ করেন তারা শরণার্থী নয়। ত্রিপুরার রাজ্যপালের দাবি, রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনের শরণার্থীর সংজ্ঞা অনুযায়ীও মুসলিমরা এদেশের শরণার্থী হতে পারে না। তথাগতর মতে, হিন্দু, শিখ বা খ্রিস্টানরা বাংলাদেশ থেকে প্রাণভয়ে এদেশে এসেছেন তাঁরা শরণার্থী। অন্যদিকে, মুসলিমদের বাংলাদেশে কোনও প্রাণভয় ছিল না, তাঁরা রোজগারের আশায় এদেশে এসেছে তাই মুসলিমরা শরণার্থী নন। বিরোধীরা বলছেন, তথাগতর বক্তব্যেই স্পষ্ট বিজেপি ধর্মের ভিত্তিতে এনআরসি তৈরি করেছে।

Advertisement

[ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিষিয়ে দেবে এনআরসি, উদ্বেগ মমতার]

এনআরসি তালিকা প্রকাশ হওয়া মাত্রই তাঁর বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছেন এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার সাফ বক্তব্য ছিল, বিজেপি ভোটব্যাংকের রাজনীতি করছে। ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকপঞ্জির তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বেছে বেছে মুসলিম এবং বাঙালিদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তথাগতর বক্তব্য কী মমতার সেই তত্ত্বকেই স্বীকৃতি দিল, প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.