একটা সময় যে দল তাঁকে ক্ষমতার অলিন্দে পৌঁছে দিয়েছিল। যে দলের দৌলতে তিনি এতবার সাংসদ-মন্ত্রী হয়েছেন, সেই দলকে এখন নাম না করে ‘ছোট দল বলে কটাক্ষ করে গেলেন এনসিপিআইয়ের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলছেন, মাত্র ৮ সাংসদের দল কালীঘাট তৃণমূলকে লোকসভার প্রথম সারিতে বসার অনুমতিই দেওয়া উচিত নয়।
আরও পড়ুন:
২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ২৯ আসন জিতে বিরোধী শিবিরের তৃতীয় এবং সার্বিকভাবে চতুর্থ বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে আসে তৃণমূল। সেই হিসাবে তৃণমূলকে প্রথম সারিতে জায়গা দেওয়া হয়। প্রথম সারিতে বসেন তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সদ্য দলের বিদ্রোহ পর্বে ২৯ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন যোগ দিয়েছেন এনসিপিআইতে। স্পিকার সেই সংযুক্তিকরণে এখনও সরকারি শিলমোহর না দিলেও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের আলাদা গোষ্ঠী হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তাছাড়া তৃণমূলের এক সাংসদ হাজি নুরুল প্রয়াত হয়েছেন। ফলে এই মুহূর্তে কালীঘাট তৃণমূলের হাতে সাংসদ সংখ্যা মোটে ৮ জন।
রবিবার কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ““আমরা বলেছি, ছোট দলকে প্রথম সারিতে আসন দেবেন না। ২৮ জনের থেকে ২০ জন বেরিয়ে গেলে দল তো আট জনের হয়ে যায়। যে দলের যেখানে জায়গা, তাদের সেখানেই জায়গা দিন।” নাম না করলেও এই ছোট দল হিসাবে যে তিনি নিজের পুরনো দল কালীঘাট তৃণমূলকেই বোঝাতে চেয়েছেন তাতে সংশয় নেই।
এদিন কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠকে ডাকা হয়েছিল এনসিপিআইকে। কেন এনসিপিআইকে আহ্বান, প্রশ্ন তুলে তৃণমূল সহ বিরোধী শিবিরের সব সাংসদ ওয়াকআউট করেন। তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র, সৌগত রায়দের সঙ্গে বেরিয়ে গেলেন কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, সিপিআই, ডিএমকে, শিবসেনা (উদ্ধব শিবির)-সহ বিভিন্ন দলের সাংসদদের ওয়াকআউট প্রসঙ্গে সুদীপের বক্তব্য, “আমি জীবনে কখনও দেখিনি সর্বদল বৈঠকে ওয়াকআউট হয়।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
স্পেন-আর্জেন্টিনা যুদ্ধে বাজিমাত ভারতীয়দেরও! বিশ্বকাপের শূন্যতাতেও প্রাপ্তির ঝুলিতে কী?
-
কেন বিয়ের প্রস্তাবে না! বিহারে স্কুলের পথে কিশোরীকে গুলি করে ‘খুন’ প্রেমিকের
-
বিপিএল তালিকাভুক্তের ৪ তলা বাড়ি, দেন আয়কর! ‘অযোগ্য’ ছাঁটার আশ্বাস খাদ্যমন্ত্রীর
-
‘ধরনা তুলে নিন’, ‘ককরোচ’ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পরই আর্জি কেন্দ্রের
-
ভঙ্গুর তৃণমূলকে টেক্কা দেওয়া চ্যালেঞ্জ? ‘রক্তে রাঙা একুশে’ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রচারে কংগ্রেস