জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র সমমর্যাদা দেওয়া হবে জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’কে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় সেই মে মাসেই এই প্রস্তাব ছাড়পত্র দিয়েছে। এবার সেই প্রস্তাবকে বিল আকারে আনছে কেন্দ্র। সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনই বিলটি সংসদে পেশ করবেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
সংসদের বাদল অধিবেশনের যে কার্যবিবরণী তৈরি করা হয়েছে, সেই বিবরণী অনুযায়ী, সোমবারই রাজ্যসভায় ‘প্রিভেনশন অফ ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার সংশোধনী বিল’ পেশ করার কথা শাহর। মূলত জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরমে’র সম্মানরক্ষায় পুরনো জাতীয় সম্মান রক্ষা আইনে কিছু সংশোধনী আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন যে আইনি কাঠামোর সুরক্ষার আওতাভুক্ত, এবার সেই সুরক্ষা পেতে চলেছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সঙ্গীতটিও। সেই কারণেই ‘জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইন’-এর সংশোধনীটি আনা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, এই আইন এখনও পর্যন্ত প্রযোজ্য জাতীয় পতাকা, সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার ক্ষেত্রে। এবার এতে সংযোজিত হতে চলেছে বন্দেমাতরমও! আইন অনুসারে, এই গান গাওয়ার সময় তা প্রতিহত বা ব্যাহত করলে হতে পারে জেল কিংবা জরিমানা অথবা উভয়ই। জেলের ক্ষেত্রে তিন বছরের সর্বোচ্চ কারাবাসের সাজা হতে পারে। কেউ পরে ফের একই অপরাধ করলে আরও একবছরের জেল হবে।
কেন্দ্র আগেও একাধিকবার জানিয়েছে, বন্দে মাতরম এবং জনগণমন একই স্তরে দণ্ডায়মান। ইতিমধ্যেই দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে, সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি জাতীয় স্তোত্র হিসাবে বন্দেমাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলকও করা হয়েছে। সেটি নির্দেশিকা আকারে দেওয়া হলেও এতদিন পর্যন্ত জাতীয় সংগীত গাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মানতে হয় বন্দেমাতরমের ক্ষেত্রে সেই নিয়মগুলি বাধ্যতামূলক ছিল না। এবার সেই পদক্ষেপ করছে মোদি সরকার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, ২১ জুলাই ভাসবে কলকাতা?
-
‘আমাকে চমকাস না’, সরাসরি অভিষেককে কড়া ভাষায় আক্রমণ মদনের
-
প্রতিবাদ, অনশনে অবশেষে মন গলল! ‘সরকার যোগাযোগ করেছে’, দাবি আরশোলাদের
-
বক্সখাট ভেঙে বালিশ-কম্বলও নিয়ে গেছে চোর! দুর্গাপুরে রেলকর্মীর বাড়ি থেকে খোয়া গেল ৫০ লাখের সম্পত্তি
-
‘আপনার আরও সুন্দর বিদায় প্রাপ্য ছিল’, গুরু দেশঁর বিদায়বেলায় আবেগাক্রান্ত এমবাপে