NEET

প্রশ্ন ফাঁস রুখতে বিরাট পদক্ষেপ, আগামী বছর থেকে নিটের পদ্ধতি বদলে দিল কেন্দ্র

প্রশ্ন ফাঁস রুখতে আগামী বছর থেকে আমূল বদলে যাচ্ছে নিটের প্রক্রিয়া। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের সঙ্গে কোনভাবেই আপস করা হবে না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৩:০৪

options
link
প্রশ্ন ফাঁস রুখতে বিরাট পদক্ষেপ, আগামী বছর থেকে নিটের পদ্ধতি বদলে দিল কেন্দ্র

প্রশ্ন ফাঁস রুখতে আগামী বছর থেকে আমূল বদলে যাচ্ছে নিটের প্রক্রিয়া। খাতায় কলমে আর নয়, এবার থেকে কম্পিউটারে ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে। নিটের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানেই তিনি ঘোষণা করলেন, ২০২৭ থেকে অনলাইন পরীক্ষা হবে। প্রশ্ন ফাঁস রুখতেই এই পদক্ষেপ, জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

Advertisement

নিটের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার পর শুক্রবারই প্রথম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যেসব মাফিয়া চক্র বারবার প্রশ্ন ফাঁস করছে তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হবে। পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের সঙ্গে কোনভাবেই আপস করা হবে না। সাংবাদিক সম্মেলনে ধর্মেন্দ্র বলেন, “রাধাকৃষ্ণন কমিটির সুপারিশ অনুসরণ করা সত্ত্বেও কমান্ড চেনে ত্রুটি ছিল। আমরা তা স্বীকার করছি এবং এটি উন্নত করার দায়িত্ব নিচ্ছি।” ইতিমধ্যেই প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তভার নিয়েছে সিবিআই। বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নিটের মতো কঠিন পরীক্ষা বারবার দেওয়া পরীক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক ও মানসিক হেনস্তার শামিল। তাই আগামী দিনে যেন প্রশ্ন ফাঁস একেবারে আটকে দেওয়া যায়, সেজন্য নিটের পরীক্ষা পদ্ধতি পুরোপুরি পালটে দেওয়া হবে। চলতি বছর পর্যন্ত পরীক্ষা হত খাতায় কলমে। ওএমআর শিটে পরীক্ষা দিত পড়ুয়ারা। আগামী ২১ জুন নিট পরীক্ষাও এই পদ্ধতিতেই নেওয়া হবে। কিন্তু পরের বছর থেকে পরীক্ষা পদ্ধতি পুরোপুরি ডিজিটাল হয়ে যাবে। কম্পিউটারে পরীক্ষা দেবে পড়ুয়ারা। অনলাইন পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পরীক্ষা দিতে হবে।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ৩ মে নিট ইউজির পরীক্ষা নিয়েছিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। প্রায় ২৩ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় বসেন। জানা যায়, পরীক্ষার অন্তত একমাস আগে কিছু ছাত্রছাত্রীর হাতে এসেছিল একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র। ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে ৪১০টি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পর দেখা যায় ১২০টি রসায়ন প্রশ্ন আসল প্রশ্নের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, মিলে গিয়েছে উত্তরের অপশনও। এহেন দুর্নীতি যেন আর না হয় সেটা নিশ্চিত করতেই অনলাইন পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.