সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এখনও শাস্তি হয়নি অপরাধীদের। যা দেশের আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতা। এমনই মনে করছেন নির্ভয়া কাণ্ডে নির্যাতিতার মা আশাদেবী। ঠিক ছয় বছর আগে দিল্লিতে এই দিনেই গণধর্ষণ করে খুন করা হয় ওই যুবতীকে। সময় পালটেছে। কিন্তু ভুলতে পারেননি মা আশাদেবী। তবে দেশকে বললেন, মেয়েদের শিক্ষা নিয়ে যাতে কোনও আপস না করা হয়। মেয়েরা নিজেদের দুর্বল না ভাবার আবেদনও রাখলেন তিনি। তবে নির্ভয়া কাণ্ডের ছয় বছর পরেও দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গিয়েছে। দেশের রাজধানীর অবস্থা যে এখনও পালটায়নি, বলছে পুলিশের পরিসংখ্যানই।
[৫০ মহিলাকে ধর্ষণ! মোবাইলে ভিডিও দেখে চোখ কপালে পুলিশের]
আশাদেবী বলেন, “এখনও ধর্ষকরা বেঁচে আছে। এটা দেশের আইনশৃঙ্খলার ব্যর্থতা। মেয়েদের নিজেকে দুর্বল ভাবা উচিত নয়। প্রত্যেক বাবা-মাকে অনুরোধ করব, যাতে মেয়েদের শিক্ষার সঙ্গে যাতে তাঁরা আপস না করেন।” সাউথ দিল্লিতে ২০১২-এ রাতে বাড়ি ফিরছিল ২৩ বছরের যুবতী ও তাঁর এক বন্ধু। তাঁকে পাঁচ যুবক ও এক নাবালক মিলে ধর্ষণ করে। তারপর রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। ওই যুবতিকে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ঘটনায় গোটা দেশে সাড়া পড়ে যায়। ধর্ষিতার নাম দেওয়া হয় নির্ভয়া। গতবছর ৯ জুলাই নির্ভয়া কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতি অশোক ভূষণ, দীপক মিশ্র ও আর ভানুমতী ধৃত চার অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মুকেশ সিং, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্তা এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে পিটিশন জমা দিয়েছে। তবে পিটিশন জমা দেয়নি একজন অভিযুক্ত অক্ষয় সিং। জুভেনাইল কোর্টে পেশ করা হয় আরেক অভিযুক্ত রাম সিংকে। জানা গিয়েছে, ঘটনার তিন মাস পর সে আত্মহত্যা করে।
[‘সেনার সঙ্গে অন্যায় করেছে ওঁরা’, সোনিয়ার গড়ে কংগ্রেসকে আক্রমণ মোদির]
তবে ছ’বছর কেটে গেলেও দিল্লি আছে দিল্লিতেই। যৌন হেনস্তার মতো ঘটনা এখনও আকছার ঘটছে। দিল্লি পুলিশের রেকর্ড বলছে, এখনও রাজধানীতে প্রত্যেকদিন ছটি করে যৌন হেনস্তার মামলা হয়। শুধু এই বছর নভেম্বর মাস পর্যন্ত ৩,০৬৬ মহিলা শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। ১২ হাজার অভিযোগের মধ্যে ৮ হাজার অভিযুক্তের শাস্তি হয়নি। এই নিয়ে দিল্লি পুলিশকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।
সর্বশেষ খবর
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য
-
তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল জনগণ, ডিমথেরাপি! আক্রান্তকে উদ্ধার বিজেপির
-
কী ছিল আর কী হল! বিপর্যয়ের আগে ও পরের আকাশচিত্রে ভেনেজুয়েলার কান্না