Jantar Mantar

যন্তর মন্তরে আর বিক্ষোভ নয়! প্রতিবাদস্থলের ঠিকানা বদল নিয়ে কেন্দ্রের জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট

মামলাটি দায়ের করেছেন সতীশ চাঁদ কৌশিক৷ আবেদনে তিনি দাবি করেছেন, যন্তর মন্তর এখন আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য উপযুক্ত স্থান নয়। কারণ, সেখানে আয়োজিত কর্মসূচিগুলি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য অসুবিধার সৃষ্টি করে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৬, ০০:৩৮

options
link
যন্তর মন্তরে আর বিক্ষোভ নয়! প্রতিবাদস্থলের ঠিকানা বদল নিয়ে কেন্দ্রের জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট
১৭২৪ সালে স্থাপিত হয় যন্তর মন্তর। ছবি: পিটিআই।

১৭২৪ সালে স্থাপিত হয় যন্তর মন্তর। অর্থাৎ তিনশো বছরের জন্মদিন আগেই পেরিয়ে এসেছে এই স্থান। তবুও এদেশে যন্তর মন্তর নামটি প্রায় নিয়মিত উচ্চারিত হয়। কারণ, দিল্লিতে কোনও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটলেই তা প্রদর্শনের স্থান হিসাবে এই জায়গাটিকেই বেছে নেওয়া হয়। ঐতিহাসিক এই প্রতিবাদস্থলের ঠিকানা বদল চেয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হল একটি জনস্বার্থ মামলা। এবিষয়ে কেন্দ্রের জবাব তলব করে ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদি সরকারকে নোটিস দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

Advertisement

মামলাটি দায়ের করেছেন সতীশ চাঁদ কৌশিক৷ আবেদনে তিনি দাবি করেছেন, যন্তর মন্তর এখন আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য উপযুক্ত স্থান নয়। কারণ, সেখানে আয়োজিত কর্মসূচিগুলি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য অসুবিধার সৃষ্টি করে। ব্যাহত হয় চিকিৎসা পরিষেবার মতো একাধিক জরুরি পরিষেবা। তাই যন্তর মন্তরে সমস্ত আন্দোলন কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন সতীশ। পরিবর্তে রাজধানীতে বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য বিকল্প স্থানেরও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। মামলাকারীর যুক্তি, সীমিত পরিসরে এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য আন্দোলনের জন্য বহু আগে যন্তর মন্তরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন।  

Advertisement

আবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান যুগে ডিজিটাল মাধ্যমের উপর ভর করে আন্দোলনগুলি সংগঠিত করা হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজারে হাজারে মানুষ সেখানে যোগ দেন। তাই যন্তর মন্তর বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য আর আদর্শ স্থান নয়। এছাড়া যন্তর মন্তর সংসদ এবং অন্যান্য সরকারি ভবনগুলির খুব কাছে অবস্থিত। তাই যন্তর মন্তরের বদলে আবেদনকারী রামলীলা ময়দান বা অন্য কোনও স্থানকে প্রতিবাদস্থল হিসাবে নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। মামলাটিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের জবাব চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে।   

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.