Delhi High Court Aadhar Card

‘সঙ্গমের আগে নিশ্চয়ই কেউ আধার কার্ড দেখবে না’, ধর্ষণের ভুয়ো মামলায় মন্তব্য দিল্লি হাই কোর্টের

নাবালিকাকে ধর্ষণের ভুয়ো মামলায় অভিযুক্তকে রেহাই দিয়েছে আদালত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২২, ১৬:৪৮

options
link
‘সঙ্গমের আগে নিশ্চয়ই কেউ আধার কার্ড দেখবে না’, ধর্ষণের ভুয়ো মামলায় মন্তব্য দিল্লি হাই কোর্টের
ছবি:প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দু’পক্ষের সম্মতিক্রমে যদি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়, সেক্ষেত্রে বয়সের দোহাই দিয়ে কোনও অভিযোগ আনা যাবে না, এমনটাই জানাল দিল্লি হাই কোর্ট (Delhi High Court)। সেই সঙ্গে আদালতের মত, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার আগে নিশ্চয়ই প্যান কার্ড বা আধার কার্ড দেখে সঙ্গীর বয়স যাচাই করে নেন না। নাবালিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করেছে দিল্লি হাই কোর্ট। তারপরেই আধার কার্ড সংক্রান্ত মন্তব্য করেছেন বিচারপতি।

Advertisement

জানা গিয়েছে, প্রাক্তন সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিল এক তরুণী। তারপরে ভুয়ো জন্মতারিখ ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে প্রমাণ হয়, একবার নয়, তিনবার নিজের জন্মতারিখ পালটেছেন ওই তরুণী। নানা তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে জানা যায়, ওই তরুণীর জন্ম ১৯৯৮ সালে, অর্থাৎ সে প্রাপ্তবয়স্কা। নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ থেকে ওই তরুণীর প্রাক্তন সঙ্গীকে রেহাই দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জোর করে গোমাংস খাওয়ালেন মুসলিম স্ত্রী ও শালা, অবসাদে আত্মঘাতী হিন্দু যুবক]

এই মামলার রায় দেওয়ার সময়েই দিল্লি হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, “পরস্পরের সম্মতিক্রমে যদি দু’জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়, তাহলে আদালতে সঙ্গীর বয়স যাচাই করে নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে আধার কার্ড (Aadhar Card), প্যান কার্ড বা স্কুলের নথিপত্র দেখে সঙ্গীর বয়স জানার দরকার নেই।” মামলা প্রসঙ্গে বিচারপতি জানিয়েছেন, সঠিক জন্মতারিখ দেখে বোঝাই যাচ্ছে, অভিযোগকারী একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা। তাই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

Advertisement

ওই তরুণী আরও অভিযোগ করেন, তাঁকে মধুচক্রে ব্যবহার করেছিলেন প্রাক্তন সঙ্গী। তরুণীর আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখার পরে আদালত জানিয়েছে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ওই তরুণী। তাহলে সেই সময়েই কেন পুলিশের দ্বারস্থ হননি ওই তরুণী? আপাতত দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্য কোনও জায়গায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে। সেই সঙ্গে ওই তরুণী কী করে তিনটি আধার কার্ড বানালেন, সেই বিষয়েও তদন্ত করতে দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

[আরও পড়ুন: ২০২১-এ আত্মঘাতী দেড় লক্ষেরও বেশি, গৃহবধূদের মধ্যে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.